বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন: বাংলাদেশও কি অংশ নিয়েছিল?
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন: বাংলাদেশও কি অংশ নিয়েছিল?
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন ও গণহত্যার প্রতিবাদে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বক্তব্য শুরু করতেই বহু দেশ ওয়াকআউট করে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার পরপরই কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান অসংখ্য কূটনীতিক ও প্রতিনিধি।
টাইমস অব ইসরাইল জানায়, শুধু মুসলিম ও আরব রাষ্ট্র নয়, আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ এবং ইউরোপের কিছু প্রতিনিধিও বর্জনের অংশ নেন। ওয়াশিংটন পোস্ট-এর তথ্যমতে, একযোগে ৫০টির বেশি দেশের শতাধিক কূটনীতিক সেশন থেকে বেরিয়ে যান। যারা হলে থেকে যান, তাদের অনেককে নেতানিয়াহুর বিপক্ষে হাততালি দিতে দেখা যায়।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি–ভিডিওতে বাংলাদেশের আসনও ফাঁকা দেখা গেছে। তবে বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার বা জাতিসংঘে বাংলাদেশের মিশন থেকেও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স–এ একটি সম্ভাব্য তালিকাও ঘুরছে, তবে সেটি কতটা নির্ভরযোগ্য তা স্পষ্ট নয়, কারণ কোনো দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের ওয়াকআউটের ঘোষণা দেয়নি।
অন্যদিকে, হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নেতানিয়াহুর বক্তব্যের আগেই বহু কূটনীতিক সভা ত্যাগ করায় প্রমাণ হয়—ইসরাইল আন্তর্জাতিক পরিসরে ক্রমেই একঘরে হয়ে পড়ছে। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর উপদেষ্টা তাহের আল-নুনু বলেন, “জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বয়কট বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে ইসরাইলের বিচ্ছিন্নতার সুস্পষ্ট বার্তা।”
সংগঠনটির আরেক জ্যেষ্ঠ নেতা ইজ্জত আল-রিশক মন্তব্য করেন, “নেতানিয়াহুর চারপাশে এখন কেবল কিছু করতালিধ্বনিকারী ছাড়া আর কেউ নেই, যারা জাতিসংঘের মতো আসরেও প্রকাশ্যে গণহত্যাকে সমর্থন করছে।”
হামাসের অভিযোগ, জাতিসংঘ মঞ্চে নেতানিয়াহু আবারও গাজায় চালানো গণহত্যা, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং অনাহারের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ অস্বীকার করে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছেন।
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন