ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৫

বাধা ভেঙে গাজার দিকে এগোচ্ছে ফ্লোটিলার শেষ নৌযান ‘ম্যারিনেট’

বাধা ভেঙে গাজার দিকে এগোচ্ছে ফ্লোটিলার শেষ নৌযান ‘ম্যারিনেট’
বাধা ভেঙে গাজার দিকে এগোচ্ছে ফ্লোটিলার শেষ নৌযান ‘ম্যারিনেট’ গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা মানবিক সহায়তাবাহী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার শেষ জাহাজ ‘ম্যারিনেট’ বর্তমানে আঞ্চলিক জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। আল জাজিরার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জিএমটি সময় ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী এখনও ইয়টটিকে আটক করতে সক্ষম হয়নি। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যায়, সূর্যোদয়ের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করে জাহাজটি ভূমধ্যসাগরের গাজামুখী পথে এগোচ্ছে। ফ্লোটিলার জিও ট্র্যাকার অনুসারে, ‘ম্যারিনেট’ বর্তমানে গাজার উপকূল থেকে প্রায় ৪৮ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ৮৮ কিলোমিটার) পশ্চিমে রয়েছে। জাহাজটি পোল্যান্ডের পতাকার অধীনে চলাচল করছে এবং এতে ছয়জন আরোহী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ক্যাপ্টেন জানান, সাময়িক যান্ত্রিক সমস্যার পর তাদের ইঞ্জিন সচল করা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, নৌযানটি এখনও স্টারলিংক সংযোগে রয়েছে এবং সক্রিয়ভাবে লাইভ স্ট্রিমে দৃশ্য সম্প্রচার করছে। এর আগে বুধবার রাতে ইসরায়েলি সেনারা একাধিক নৌযানে অভিযান চালায় এবং দুই শতাধিক যাত্রীকে আটক করে। আটককৃতদের সবাইকে দক্ষিণ ইসরায়েলের কেটজিওট কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও আছেন। আটক হওয়ার আগে প্রচারিত এক ভিডিওতে তিনি বলেন, “ইসরায়েলি বাহিনী আমাকে জোরপূর্বক আটকের পর ইসরাইলে নিয়ে গেছে। অথচ আমাদের যাত্রা ছিল মানবিক, অহিংস এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমার দেশের সরকার যেন আমাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি তোলে—এই অনুরোধ করছি।” যাত্রার শুরুতে দেওয়া আরেক বক্তব্যে গ্রেটা বলেছিলেন, “আমি ইসরায়েলকে ভয় পাই না। আমি ভয় পাই এমন এক বিশ্বকে, যেখানে মানবতার চেতনা একেবারে হারিয়ে গেছে।” ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, এই নৌযানগুলো “যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের চেষ্টা করছে” এবং তারা “বৈধ অবরোধ ভঙ্গ করছে।” তাদের মতে, আটক যাত্রীদের ইউরোপে পাঠানো হবে। তবে এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কুয়েতসহ বেশ কয়েকটি দেশ। অপরদিকে, ইতালির প্রধানমন্ত্রী মত প্রকাশ করেছেন যে, এসব ত্রাণ গাজার পরিস্থিতিতে কোনো বাস্তব পরিবর্তন আনবে না। ’গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা মানবিক সহায়তাবাহী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার শেষ জাহাজ ‘ম্যারিনেট’ বর্তমানে আঞ্চলিক জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। আল জাজিরার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জিএমটি সময় ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী এখনও ইয়টটিকে আটক করতে সক্ষম হয়নি। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যায়, সূর্যোদয়ের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করে জাহাজটি ভূমধ্যসাগরের গাজামুখী পথে এগোচ্ছে। ফ্লোটিলার জিও ট্র্যাকার অনুসারে, ‘ম্যারিনেট’ বর্তমানে গাজার উপকূল থেকে প্রায় ৪৮ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ৮৮ কিলোমিটার) পশ্চিমে রয়েছে। জাহাজটি পোল্যান্ডের পতাকার অধীনে চলাচল করছে এবং এতে ছয়জন আরোহী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ক্যাপ্টেন জানান, সাময়িক যান্ত্রিক সমস্যার পর তাদের ইঞ্জিন সচল করা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, নৌযানটি এখনও স্টারলিংক সংযোগে রয়েছে এবং সক্রিয়ভাবে লাইভ স্ট্রিমে দৃশ্য সম্প্রচার করছে। এর আগে বুধবার রাতে ইসরায়েলি সেনারা একাধিক নৌযানে অভিযান চালায় এবং দুই শতাধিক যাত্রীকে আটক করে। আটককৃতদের সবাইকে দক্ষিণ ইসরায়েলের কেটজিওট কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও আছেন। আটক হওয়ার আগে প্রচারিত এক ভিডিওতে তিনি বলেন, “ইসরায়েলি বাহিনী আমাকে জোরপূর্বক আটকের পর ইসরাইলে নিয়ে গেছে। অথচ আমাদের যাত্রা ছিল মানবিক, অহিংস এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমার দেশের সরকার যেন আমাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি তোলে—এই অনুরোধ করছি।” যাত্রার শুরুতে দেওয়া আরেক বক্তব্যে গ্রেটা বলেছিলেন, “আমি ইসরায়েলকে ভয় পাই না। আমি ভয় পাই এমন এক বিশ্বকে, যেখানে মানবতার চেতনা একেবারে হারিয়ে গেছে।” ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, এই নৌযানগুলো “যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের চেষ্টা করছে” এবং তারা “বৈধ অবরোধ ভঙ্গ করছে।” তাদের মতে, আটক যাত্রীদের ইউরোপে পাঠানো হবে। তবে এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কুয়েতসহ বেশ কয়েকটি দেশ। অপরদিকে, ইতালির প্রধানমন্ত্রী মত প্রকাশ করেছেন যে, এসব ত্রাণ গাজার পরিস্থিতিতে কোনো বাস্তব পরিবর্তন আনবে না।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


বাধা ভেঙে গাজার দিকে এগোচ্ছে ফ্লোটিলার শেষ নৌযান ‘ম্যারিনেট’

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
বাধা ভেঙে গাজার দিকে এগোচ্ছে ফ্লোটিলার শেষ নৌযান ‘ম্যারিনেট’ গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা মানবিক সহায়তাবাহী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার শেষ জাহাজ ‘ম্যারিনেট’ বর্তমানে আঞ্চলিক জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। আল জাজিরার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জিএমটি সময় ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী এখনও ইয়টটিকে আটক করতে সক্ষম হয়নি। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যায়, সূর্যোদয়ের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করে জাহাজটি ভূমধ্যসাগরের গাজামুখী পথে এগোচ্ছে। ফ্লোটিলার জিও ট্র্যাকার অনুসারে, ‘ম্যারিনেট’ বর্তমানে গাজার উপকূল থেকে প্রায় ৪৮ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ৮৮ কিলোমিটার) পশ্চিমে রয়েছে। জাহাজটি পোল্যান্ডের পতাকার অধীনে চলাচল করছে এবং এতে ছয়জন আরোহী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ক্যাপ্টেন জানান, সাময়িক যান্ত্রিক সমস্যার পর তাদের ইঞ্জিন সচল করা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, নৌযানটি এখনও স্টারলিংক সংযোগে রয়েছে এবং সক্রিয়ভাবে লাইভ স্ট্রিমে দৃশ্য সম্প্রচার করছে। এর আগে বুধবার রাতে ইসরায়েলি সেনারা একাধিক নৌযানে অভিযান চালায় এবং দুই শতাধিক যাত্রীকে আটক করে। আটককৃতদের সবাইকে দক্ষিণ ইসরায়েলের কেটজিওট কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও আছেন। আটক হওয়ার আগে প্রচারিত এক ভিডিওতে তিনি বলেন, “ইসরায়েলি বাহিনী আমাকে জোরপূর্বক আটকের পর ইসরাইলে নিয়ে গেছে। অথচ আমাদের যাত্রা ছিল মানবিক, অহিংস এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমার দেশের সরকার যেন আমাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি তোলে—এই অনুরোধ করছি।” যাত্রার শুরুতে দেওয়া আরেক বক্তব্যে গ্রেটা বলেছিলেন, “আমি ইসরায়েলকে ভয় পাই না। আমি ভয় পাই এমন এক বিশ্বকে, যেখানে মানবতার চেতনা একেবারে হারিয়ে গেছে।” ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, এই নৌযানগুলো “যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের চেষ্টা করছে” এবং তারা “বৈধ অবরোধ ভঙ্গ করছে।” তাদের মতে, আটক যাত্রীদের ইউরোপে পাঠানো হবে। তবে এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কুয়েতসহ বেশ কয়েকটি দেশ। অপরদিকে, ইতালির প্রধানমন্ত্রী মত প্রকাশ করেছেন যে, এসব ত্রাণ গাজার পরিস্থিতিতে কোনো বাস্তব পরিবর্তন আনবে না। ’গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা মানবিক সহায়তাবাহী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার শেষ জাহাজ ‘ম্যারিনেট’ বর্তমানে আঞ্চলিক জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। আল জাজিরার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জিএমটি সময় ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী এখনও ইয়টটিকে আটক করতে সক্ষম হয়নি। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যায়, সূর্যোদয়ের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করে জাহাজটি ভূমধ্যসাগরের গাজামুখী পথে এগোচ্ছে। ফ্লোটিলার জিও ট্র্যাকার অনুসারে, ‘ম্যারিনেট’ বর্তমানে গাজার উপকূল থেকে প্রায় ৪৮ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ৮৮ কিলোমিটার) পশ্চিমে রয়েছে। জাহাজটি পোল্যান্ডের পতাকার অধীনে চলাচল করছে এবং এতে ছয়জন আরোহী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ক্যাপ্টেন জানান, সাময়িক যান্ত্রিক সমস্যার পর তাদের ইঞ্জিন সচল করা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, নৌযানটি এখনও স্টারলিংক সংযোগে রয়েছে এবং সক্রিয়ভাবে লাইভ স্ট্রিমে দৃশ্য সম্প্রচার করছে। এর আগে বুধবার রাতে ইসরায়েলি সেনারা একাধিক নৌযানে অভিযান চালায় এবং দুই শতাধিক যাত্রীকে আটক করে। আটককৃতদের সবাইকে দক্ষিণ ইসরায়েলের কেটজিওট কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও আছেন। আটক হওয়ার আগে প্রচারিত এক ভিডিওতে তিনি বলেন, “ইসরায়েলি বাহিনী আমাকে জোরপূর্বক আটকের পর ইসরাইলে নিয়ে গেছে। অথচ আমাদের যাত্রা ছিল মানবিক, অহিংস এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমার দেশের সরকার যেন আমাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি তোলে—এই অনুরোধ করছি।” যাত্রার শুরুতে দেওয়া আরেক বক্তব্যে গ্রেটা বলেছিলেন, “আমি ইসরায়েলকে ভয় পাই না। আমি ভয় পাই এমন এক বিশ্বকে, যেখানে মানবতার চেতনা একেবারে হারিয়ে গেছে।” ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, এই নৌযানগুলো “যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের চেষ্টা করছে” এবং তারা “বৈধ অবরোধ ভঙ্গ করছে।” তাদের মতে, আটক যাত্রীদের ইউরোপে পাঠানো হবে। তবে এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কুয়েতসহ বেশ কয়েকটি দেশ। অপরদিকে, ইতালির প্রধানমন্ত্রী মত প্রকাশ করেছেন যে, এসব ত্রাণ গাজার পরিস্থিতিতে কোনো বাস্তব পরিবর্তন আনবে না।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল