হবিগঞ্জের মাইশার ৭৫ লাখ টাকার স্কলারশিপ, উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে নতুন দিগন্ত
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার শেরপুর রোডের বাসিন্দা মারিয়া হাসান মাইশা Asian University for Women-এ অধ্যয়নের জন্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) মূল্যের মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপ পেয়েছেন। চার বছর মেয়াদি এ স্কলারশিপের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার পুরো সময়জুড়ে আর্থিক সহায়তা পাবেন তিনি।
২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর গত ১ জুলাই মাইশা Chevron Bangladesh-এর সহায়তায় পরিচালিত STEM-ভিত্তিক সামার স্কুল প্রোগ্রামে অংশ নেন। প্রোগ্রামটি সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই তাঁর সামনে খুলে যায় আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার নতুন সম্ভাবনা।
মাইশার জীবনের পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। তাঁর বাবা ব্যাংক কর্মকর্তা মনজুর হাসান মনির ২০১৭ সালে মারা যান। এরপর থেকে তাঁর মা রেবেকা সুলতানা ছোট একটি পোশাক ব্যবসা পরিচালনা করে পরিবারের দায়িত্ব সামলে আসছেন। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মাইশা নবীগঞ্জের জে.কে. হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ২০২৫ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন।
মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী হয়েও বিজ্ঞানভিত্তিক সামার স্কুল প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া তাঁর জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে নিজের চেষ্টা, শিক্ষকদের উৎসাহ এবং মা ও বড় ভাইয়ের সহযোগিতায় সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যান তিনি।
মাইশার এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং প্রতিকূলতার মধ্যেও স্বপ্ন দেখা এবং তা বাস্তবায়নের এক অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত। তাঁর সাফল্যে আনন্দিত পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আশা করছেন, উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যতে তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখবেন।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
হবিগঞ্জের মাইশার ৭৫ লাখ টাকার স্কলারশিপ, উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে নতুন দিগন্ত
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার শেরপুর রোডের বাসিন্দা মারিয়া হাসান মাইশা Asian University for Women-এ অধ্যয়নের জন্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) মূল্যের মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপ পেয়েছেন। চার বছর মেয়াদি এ স্কলারশিপের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার পুরো সময়জুড়ে আর্থিক সহায়তা পাবেন তিনি।
২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর গত ১ জুলাই মাইশা Chevron Bangladesh-এর সহায়তায় পরিচালিত STEM-ভিত্তিক সামার স্কুল প্রোগ্রামে অংশ নেন। প্রোগ্রামটি সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই তাঁর সামনে খুলে যায় আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার নতুন সম্ভাবনা।
মাইশার জীবনের পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। তাঁর বাবা ব্যাংক কর্মকর্তা মনজুর হাসান মনির ২০১৭ সালে মারা যান। এরপর থেকে তাঁর মা রেবেকা সুলতানা ছোট একটি পোশাক ব্যবসা পরিচালনা করে পরিবারের দায়িত্ব সামলে আসছেন। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মাইশা নবীগঞ্জের জে.কে. হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ২০২৫ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন।
মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী হয়েও বিজ্ঞানভিত্তিক সামার স্কুল প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া তাঁর জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে নিজের চেষ্টা, শিক্ষকদের উৎসাহ এবং মা ও বড় ভাইয়ের সহযোগিতায় সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যান তিনি।
মাইশার এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং প্রতিকূলতার মধ্যেও স্বপ্ন দেখা এবং তা বাস্তবায়নের এক অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত। তাঁর সাফল্যে আনন্দিত পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আশা করছেন, উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যতে তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখবেন।

আপনার মতামত লিখুন