নিজের পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করার স্বপ্ন ছিল মায়ের। কিন্তু বিয়ের কারণে থেমে যায় তাঁর শিক্ষাজীবন, অপূর্ণ থেকে যায় নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ইচ্ছা। মায়ের সেই কষ্ট কাছ থেকে দেখেই প্রতিজ্ঞা করেছিলেন মুলকে সাদ মালিহা—একদিন নিজের যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে মায়ের মুখে হাসি ফোটাবেন। দীর্ঘ অপেক্ষা, সংসার ও সন্তান সামলে সেই স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়েছেন তিনি। ৪৪তম বিসিএসে প্রাণিসম্পদ ক্যাডারে সুপারিশ পেয়ে পূরণ করেছেন নিজের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, যা তাঁর মায়ের কাছেও এক আবেগঘন প্রাপ্তি।
সংসার, সন্তান ও পড়াশোনা সামলে সাফল্য
মালিহার মা আসমা বেগম উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু বিয়ের কারণে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষেই থেমে যায় তাঁর পড়াশোনা। চাকরি করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্নটিও আর পূরণ হয়নি। সংসারের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের ইচ্ছাগুলোকে পাশে সরিয়ে রাখতে হয়েছিল তাঁকে।
মায়ের জীবনের এই গল্প মালিহাকে গভীরভাবে নাড়া দিত। মায়ের ত্যাগ ও পরিশ্রম দেখে তিনি বুঝেছিলেন, নিজের পায়ে দাঁড়ানো শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, পরিবারের পাশে দাঁড়ানোরও একটি উপায়।
২০১৩ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর বিয়ে হয় মালিহার। বিয়ের সময় মায়ের একটাই অনুরোধ ছিল, মেয়ের পড়াশোনা যেন বন্ধ না হয়। স্বামী মোস্তাফিজুর রহমানের সহযোগিতায় ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজে ভর্তি হন তিনি। পরবর্তী সময়ে স্নাতক শেষ করে সরকারি চাকরির প্রস্তুতি শুরু করেন।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
নিজের পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করার স্বপ্ন ছিল মায়ের। কিন্তু বিয়ের কারণে থেমে যায় তাঁর শিক্ষাজীবন, অপূর্ণ থেকে যায় নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ইচ্ছা। মায়ের সেই কষ্ট কাছ থেকে দেখেই প্রতিজ্ঞা করেছিলেন মুলকে সাদ মালিহা—একদিন নিজের যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে মায়ের মুখে হাসি ফোটাবেন। দীর্ঘ অপেক্ষা, সংসার ও সন্তান সামলে সেই স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়েছেন তিনি। ৪৪তম বিসিএসে প্রাণিসম্পদ ক্যাডারে সুপারিশ পেয়ে পূরণ করেছেন নিজের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, যা তাঁর মায়ের কাছেও এক আবেগঘন প্রাপ্তি।
সংসার, সন্তান ও পড়াশোনা সামলে সাফল্য
মালিহার মা আসমা বেগম উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু বিয়ের কারণে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষেই থেমে যায় তাঁর পড়াশোনা। চাকরি করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্নটিও আর পূরণ হয়নি। সংসারের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের ইচ্ছাগুলোকে পাশে সরিয়ে রাখতে হয়েছিল তাঁকে।
মায়ের জীবনের এই গল্প মালিহাকে গভীরভাবে নাড়া দিত। মায়ের ত্যাগ ও পরিশ্রম দেখে তিনি বুঝেছিলেন, নিজের পায়ে দাঁড়ানো শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, পরিবারের পাশে দাঁড়ানোরও একটি উপায়।
২০১৩ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর বিয়ে হয় মালিহার। বিয়ের সময় মায়ের একটাই অনুরোধ ছিল, মেয়ের পড়াশোনা যেন বন্ধ না হয়। স্বামী মোস্তাফিজুর রহমানের সহযোগিতায় ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজে ভর্তি হন তিনি। পরবর্তী সময়ে স্নাতক শেষ করে সরকারি চাকরির প্রস্তুতি শুরু করেন।

আপনার মতামত লিখুন