বরিশালের উজিরপুরে অনিক শিকদারকে চোর ভেবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর পর জানা গেছে, তিনি পেশাদার চোর নন; বরং পারিবারিক সংকট ও মাদকাসক্তির কারণে অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
জানা যায়, অনিকের বাবা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে পরিবারটি সর্বস্ব হারায়। এরপর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে অনিক মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় একটি মাদকচক্র তাকে ব্যবহার করত বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর WAB Foundation-এর একটি দল উজিরপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় অনিকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তার ছোট মেয়ে তুবার আকুতি ছিল—বাবার জন্য যেন একটি সৎ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।
এরপর অনিকও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে গ্রামাঞ্চলে সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি অটোভ্যানের প্রয়োজনের কথা জানানো হয়।
WAB Foundation জানিয়েছে, তারা অনিককে একটি নতুন অটোভ্যান কিনে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি ছোট্ট তুবার পড়াশোনার দায়িত্বও নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ উদ্যোগে উজিরপুর থানার ইন্সপেক্টর সার্বিক সহযোগিতা ও বিষয়টি দেখাশোনার আশ্বাস দিয়েছেন।
অনিকের পরিবারকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ার এই উদ্যোগকে মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের আশা, কর্মসংস্থানের সুযোগ পেলে অনিক স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে মেয়েকে নিয়ে নতুনভাবে পথ চলতে পারবেন।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরিশালের উজিরপুরে অনিক শিকদারকে চোর ভেবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর পর জানা গেছে, তিনি পেশাদার চোর নন; বরং পারিবারিক সংকট ও মাদকাসক্তির কারণে অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
জানা যায়, অনিকের বাবা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে পরিবারটি সর্বস্ব হারায়। এরপর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে অনিক মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় একটি মাদকচক্র তাকে ব্যবহার করত বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর WAB Foundation-এর একটি দল উজিরপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় অনিকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তার ছোট মেয়ে তুবার আকুতি ছিল—বাবার জন্য যেন একটি সৎ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।
এরপর অনিকও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে গ্রামাঞ্চলে সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি অটোভ্যানের প্রয়োজনের কথা জানানো হয়।
WAB Foundation জানিয়েছে, তারা অনিককে একটি নতুন অটোভ্যান কিনে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি ছোট্ট তুবার পড়াশোনার দায়িত্বও নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ উদ্যোগে উজিরপুর থানার ইন্সপেক্টর সার্বিক সহযোগিতা ও বিষয়টি দেখাশোনার আশ্বাস দিয়েছেন।
অনিকের পরিবারকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ার এই উদ্যোগকে মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের আশা, কর্মসংস্থানের সুযোগ পেলে অনিক স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে মেয়েকে নিয়ে নতুনভাবে পথ চলতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন