‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল পাস হলে মা-বাবার মৃত্যুকামনা করবে সন্তানরা’
সম্পত্তি হস্তান্তর বিল পাস হলে মা-বাবার জীবদ্দশায় সম্পদের মালিকানা পাওয়া সন্তানরা তাদের দীর্ঘায়ু কামনা করার পরিবর্তে দ্রুত মৃত্যুকামনা করতে পারে—এমন মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আহমদ আলী কাসেমী বলেন, জীবদ্দশায় সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে সন্তানকে মালিকানা দিয়ে দেওয়া হলে সম্পদের ভোগদখল নির্বিঘ্ন করার জন্য সন্তান মা-বাবার দ্রুত মৃত্যু কামনা করতে পারে।
তিনি বলেন, বৃদ্ধ বয়সে মা-বাবার সুরক্ষার কথা বলে এই বিধান আনা হলেও ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী প্রত্যেকের অধিকার নির্ধারিত রয়েছে। নতুন আইন করে শরিয়াহর বিধান উপেক্ষা করা উচিত নয়।
তার দাবি, এই আইনের মাধ্যমে পছন্দের ব্যক্তিকে সম্পদ দিয়ে অন্য উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে কোনো ব্যক্তির শুধু মেয়ে সন্তান থাকলে শরিয়াহর ফরায়েজ অনুযায়ী চাচাসহ অন্যান্য আত্মীয়দের যে অধিকার রয়েছে, তা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের পক্ষ থেকে হেবা ও মিরাস আইনকে স্পর্শ করা হয়নি বলা হলেও বাস্তবে তা করা হচ্ছে—এমন অভিযোগও করেন আহমদ আলী কাসেমী। একই সঙ্গে আইন চূড়ান্ত করার আগে দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরামের সঙ্গে আলোচনা করার দাবি জানান তিনি।
।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল পাস হলে মা-বাবার মৃত্যুকামনা করবে সন্তানরা’
সম্পত্তি হস্তান্তর বিল পাস হলে মা-বাবার জীবদ্দশায় সম্পদের মালিকানা পাওয়া সন্তানরা তাদের দীর্ঘায়ু কামনা করার পরিবর্তে দ্রুত মৃত্যুকামনা করতে পারে—এমন মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আহমদ আলী কাসেমী বলেন, জীবদ্দশায় সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে সন্তানকে মালিকানা দিয়ে দেওয়া হলে সম্পদের ভোগদখল নির্বিঘ্ন করার জন্য সন্তান মা-বাবার দ্রুত মৃত্যু কামনা করতে পারে।
তিনি বলেন, বৃদ্ধ বয়সে মা-বাবার সুরক্ষার কথা বলে এই বিধান আনা হলেও ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী প্রত্যেকের অধিকার নির্ধারিত রয়েছে। নতুন আইন করে শরিয়াহর বিধান উপেক্ষা করা উচিত নয়।
তার দাবি, এই আইনের মাধ্যমে পছন্দের ব্যক্তিকে সম্পদ দিয়ে অন্য উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে কোনো ব্যক্তির শুধু মেয়ে সন্তান থাকলে শরিয়াহর ফরায়েজ অনুযায়ী চাচাসহ অন্যান্য আত্মীয়দের যে অধিকার রয়েছে, তা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের পক্ষ থেকে হেবা ও মিরাস আইনকে স্পর্শ করা হয়নি বলা হলেও বাস্তবে তা করা হচ্ছে—এমন অভিযোগও করেন আহমদ আলী কাসেমী। একই সঙ্গে আইন চূড়ান্ত করার আগে দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরামের সঙ্গে আলোচনা করার দাবি জানান তিনি।
।

আপনার মতামত লিখুন