ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : রোববার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

হানিবাল গাদ্দাফিকে ১১ মিলিয়ন ডলারের জামিনে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে

হানিবাল গাদ্দাফিকে ১১ মিলিয়ন ডলারের জামিনে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে
লেবাননের একটি আদালত প্রয়াত লিবিয়ান নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছোট ছেলে হানিবাল গাদ্দাফিকে ১১ মিলিয়ন ডলারের জামিনে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তবে, তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রায় এক দশক ধরে বিচারাধীন অবস্থায় কারাগারে থাকা হানিবালের মুক্তি দেশটিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০১৫ সালে লেবাননের কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেফতার করে। অভিযোগ ছিল, তিনি ১৯৭৮ সালে লিবিয়ায় প্রখ্যাত লেবানিজ শিয়া নেতা মুসা আল-সাদরের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন। আল-সাদর সে সময় গাদ্দাফির আমন্ত্রণে লিবিয়া সফরে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন—যা আজও লেবাননের জনগণের মনে বেদনার এক অনুচ্ছেদ হয়ে আছে। হানিবালের আইনজীবী লরাঁ বায়ন জামিনের আদেশের সমালোচনা করে বলেন, “আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করব। তিনি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন—এ অবস্থায় এত বিপুল অর্থ জোগাড় করা তার পক্ষে সম্ভব নয়।” অন্যদিকে, মুসা আল-সাদরের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “জামিনের এই সিদ্ধান্তে আমরা হস্তক্ষেপ করব না। আমাদের লক্ষ্য এখনো একই—ইমাম আল-সাদরের নিখোঁজ হওয়ার সত্য উদঘাটন।” মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচও লেবানন সরকারকে হানিবালকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এর আগেও, ২০২৩ সালে লিবিয়া সরকার তার শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। এই জামিনের সিদ্ধান্তকে অনেকেই হানিবাল গাদ্দাফির দীর্ঘ কারাবাসের শেষ অধ্যায় বলে মনে করছেন। তবুও, মুসা আল-সাদরের নিখোঁজ হওয়ার রহস্য এখনো দুই দেশের সম্পর্কের এক অনিরসনীয় প্রশ্ন হয়ে রয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হানিবাল গাদ্দাফিকে ১১ মিলিয়ন ডলারের জামিনে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
লেবাননের একটি আদালত প্রয়াত লিবিয়ান নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছোট ছেলে হানিবাল গাদ্দাফিকে ১১ মিলিয়ন ডলারের জামিনে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তবে, তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রায় এক দশক ধরে বিচারাধীন অবস্থায় কারাগারে থাকা হানিবালের মুক্তি দেশটিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০১৫ সালে লেবাননের কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেফতার করে। অভিযোগ ছিল, তিনি ১৯৭৮ সালে লিবিয়ায় প্রখ্যাত লেবানিজ শিয়া নেতা মুসা আল-সাদরের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন। আল-সাদর সে সময় গাদ্দাফির আমন্ত্রণে লিবিয়া সফরে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন—যা আজও লেবাননের জনগণের মনে বেদনার এক অনুচ্ছেদ হয়ে আছে। হানিবালের আইনজীবী লরাঁ বায়ন জামিনের আদেশের সমালোচনা করে বলেন, “আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করব। তিনি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন—এ অবস্থায় এত বিপুল অর্থ জোগাড় করা তার পক্ষে সম্ভব নয়।” অন্যদিকে, মুসা আল-সাদরের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “জামিনের এই সিদ্ধান্তে আমরা হস্তক্ষেপ করব না। আমাদের লক্ষ্য এখনো একই—ইমাম আল-সাদরের নিখোঁজ হওয়ার সত্য উদঘাটন।” মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচও লেবানন সরকারকে হানিবালকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এর আগেও, ২০২৩ সালে লিবিয়া সরকার তার শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। এই জামিনের সিদ্ধান্তকে অনেকেই হানিবাল গাদ্দাফির দীর্ঘ কারাবাসের শেষ অধ্যায় বলে মনে করছেন। তবুও, মুসা আল-সাদরের নিখোঁজ হওয়ার রহস্য এখনো দুই দেশের সম্পর্কের এক অনিরসনীয় প্রশ্ন হয়ে রয়ে গেছে।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল