ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : রোববার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার
দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডসহ সম্প্রতি রাজধানী ও চট্টগ্রামে সংঘটিত একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডের পরপরই মৌখিক নির্দেশে কেপিআই (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন) হিসেবে ঘোষিত এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয় এবং টহল বৃদ্ধি করা হয়। জেলা পর্যায়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানান, ‘গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা সারা বছরই অগ্রাধিকার পায়। কেপিআই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করছে।’ সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে বঙ্গভবন, গণভবন, জাতীয় সংসদ, সচিবালয়, বিমানবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ মোট ৫৮৭টি স্থাপনা কেপিআই হিসেবে চিহ্নিত। এসব স্থাপনার নিরাপত্তা বজায় রাখতে ২০১৩ সালের সংশোধিত নীতিমালায় নিয়মিত টহল, নিরাপত্তা প্রতিবেদন প্রেরণ, সিসিটিভি ক্যামেরা, লাগেজ স্ক্যানার এবং ভেহিকেল সার্চ মিরর স্থাপনের নির্দেশনা রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিশ্লেষক অধ্যাপক তৌহিদুল হক বলেন, “বিমানবন্দর বা ইপিজেডের মতো স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকা অস্বাভাবিক বিষয়। প্রতিটি ঘটনার পেছনের কারণ উদ্‌ঘাটনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তদন্ত সংস্থাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার

প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডসহ সম্প্রতি রাজধানী ও চট্টগ্রামে সংঘটিত একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডের পরপরই মৌখিক নির্দেশে কেপিআই (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন) হিসেবে ঘোষিত এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয় এবং টহল বৃদ্ধি করা হয়। জেলা পর্যায়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানান, ‘গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা সারা বছরই অগ্রাধিকার পায়। কেপিআই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করছে।’ সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে বঙ্গভবন, গণভবন, জাতীয় সংসদ, সচিবালয়, বিমানবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ মোট ৫৮৭টি স্থাপনা কেপিআই হিসেবে চিহ্নিত। এসব স্থাপনার নিরাপত্তা বজায় রাখতে ২০১৩ সালের সংশোধিত নীতিমালায় নিয়মিত টহল, নিরাপত্তা প্রতিবেদন প্রেরণ, সিসিটিভি ক্যামেরা, লাগেজ স্ক্যানার এবং ভেহিকেল সার্চ মিরর স্থাপনের নির্দেশনা রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিশ্লেষক অধ্যাপক তৌহিদুল হক বলেন, “বিমানবন্দর বা ইপিজেডের মতো স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকা অস্বাভাবিক বিষয়। প্রতিটি ঘটনার পেছনের কারণ উদ্‌ঘাটনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তদন্ত সংস্থাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি।”

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল