উঠানের নিচে লুকিয়ে ছিল হত্যার প্রমাণ, স্ত্রীর অভিযোগে বেরিয়ে এলো
স্ত্রীর অভিযোগেই ফাঁস ৫ মাস আগের হত্যাকাণ্ড! খুলনায় উঠান খুঁড়ে উদ্ধার মরদেহ, গ্রেপ্তার দম্পতি
খুলনা নগরের হরিণডাঙ্গা এলাকায় স্ত্রীর করা এক অভিযোগ থেকেই বেরিয়ে এসেছে প্রায় পাঁচ মাস আগের একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য। পারিবারিক কলহ ও স্বামীর মারধরের অভিযোগ জানাতে থানায় গিয়ে স্ত্রী পুলিশকে জানান, তার স্বামী কয়েক মাস আগে একজনকে হত্যা করে বাড়ির উঠানে মরদেহ পুঁতে রেখেছেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। পরে স্ত্রীর সংশ্লিষ্টতার তথ্যও সামনে আসে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী জানান, হত্যার সময় তিনি ভুক্তভোগীর গলায় দড়ি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন, আর তার স্ত্রী ভুক্তভোগীর পা চেপে ধরেন। এছাড়া চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিও স্ত্রী করেছিলেন বলে তিনি জানান।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ মাস আগে ভাড়ার কথা বলে এক ইজিবাইক চালককে বাড়িতে ডেকে আনে ওই দম্পতি। প্রথমে তাকে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করার চেষ্টা করা হয়। পরে তিনি অচেতন না হলে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর বাড়ির উঠানে গর্ত করে মরদেহ মাটি চাপা দেওয়া হয়। পরে ইজিবাইকটি খুলে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আলাদাভাবে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
আজ (সকাল) পুলিশ বাড়ির উঠান খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা মাদকসেবনের সঙ্গেও জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং ঘটনার পূর্ণ রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, অপরাধ যতই গোপন রাখার চেষ্টা করা হোক না কেন, একসময় সত্য প্রকাশ পেয়েই যায়।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
উঠানের নিচে লুকিয়ে ছিল হত্যার প্রমাণ, স্ত্রীর অভিযোগে বেরিয়ে এলো
স্ত্রীর অভিযোগেই ফাঁস ৫ মাস আগের হত্যাকাণ্ড! খুলনায় উঠান খুঁড়ে উদ্ধার মরদেহ, গ্রেপ্তার দম্পতি
খুলনা নগরের হরিণডাঙ্গা এলাকায় স্ত্রীর করা এক অভিযোগ থেকেই বেরিয়ে এসেছে প্রায় পাঁচ মাস আগের একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য। পারিবারিক কলহ ও স্বামীর মারধরের অভিযোগ জানাতে থানায় গিয়ে স্ত্রী পুলিশকে জানান, তার স্বামী কয়েক মাস আগে একজনকে হত্যা করে বাড়ির উঠানে মরদেহ পুঁতে রেখেছেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। পরে স্ত্রীর সংশ্লিষ্টতার তথ্যও সামনে আসে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী জানান, হত্যার সময় তিনি ভুক্তভোগীর গলায় দড়ি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন, আর তার স্ত্রী ভুক্তভোগীর পা চেপে ধরেন। এছাড়া চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিও স্ত্রী করেছিলেন বলে তিনি জানান।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ মাস আগে ভাড়ার কথা বলে এক ইজিবাইক চালককে বাড়িতে ডেকে আনে ওই দম্পতি। প্রথমে তাকে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করার চেষ্টা করা হয়। পরে তিনি অচেতন না হলে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর বাড়ির উঠানে গর্ত করে মরদেহ মাটি চাপা দেওয়া হয়। পরে ইজিবাইকটি খুলে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আলাদাভাবে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
আজ (সকাল) পুলিশ বাড়ির উঠান খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা মাদকসেবনের সঙ্গেও জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং ঘটনার পূর্ণ রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, অপরাধ যতই গোপন রাখার চেষ্টা করা হোক না কেন, একসময় সত্য প্রকাশ পেয়েই যায়।

আপনার মতামত লিখুন