চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ, আগস্টেই হতে পারে চূড়ান্ত চুক্তি
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক জে-১০সিই (J-10CE) মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।
সোমবার (২২ জুন) থেকে শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরের সময় এই সামরিক ক্রয়চুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি শুধু একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিই নয়; বরং বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, প্রতিটি জে-১০সিই যুদ্ধবিমানের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেই হিসেবে ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনতে মোট ব্যয় হতে পারে প্রায় ৯৬০ মিলিয়ন ডলার।
জে-১০সিই হলো চীনের তৈরি একটি অত্যাধুনিক মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান, যা আকাশ থেকে আকাশ এবং আকাশ থেকে স্থল—উভয় ধরনের অভিযানে সক্ষম। উন্নত রাডার, আধুনিক অস্ত্র বহনের ক্ষমতা এবং দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সুবিধার কারণে এটি বিশ্বের অন্যতম আলোচিত যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সফরকালে প্রতিরক্ষা খাতের পাশাপাশি অবকাঠামো, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতা নিয়েও ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে এবং আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতাও আরও শক্তিশালী হবে।
তবে যুদ্ধবিমান ক্রয়সংক্রান্ত চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ, আগস্টেই হতে পারে চূড়ান্ত চুক্তি
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক জে-১০সিই (J-10CE) মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।
সোমবার (২২ জুন) থেকে শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরের সময় এই সামরিক ক্রয়চুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি শুধু একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিই নয়; বরং বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, প্রতিটি জে-১০সিই যুদ্ধবিমানের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেই হিসেবে ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনতে মোট ব্যয় হতে পারে প্রায় ৯৬০ মিলিয়ন ডলার।
জে-১০সিই হলো চীনের তৈরি একটি অত্যাধুনিক মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান, যা আকাশ থেকে আকাশ এবং আকাশ থেকে স্থল—উভয় ধরনের অভিযানে সক্ষম। উন্নত রাডার, আধুনিক অস্ত্র বহনের ক্ষমতা এবং দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সুবিধার কারণে এটি বিশ্বের অন্যতম আলোচিত যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সফরকালে প্রতিরক্ষা খাতের পাশাপাশি অবকাঠামো, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতা নিয়েও ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে এবং আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতাও আরও শক্তিশালী হবে।
তবে যুদ্ধবিমান ক্রয়সংক্রান্ত চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন