মাদ্রাসায় শিশুকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার
খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ডাক্তারপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘নুরুল কুরআন তাহফিজ একাডেমি’-তে এক শিশুকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েক দিন ধরে মারধরের শিকার হওয়া শিশুটি বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবে কথা বলতেও পারছে না।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শিশুটির শরীরে জ্বর রয়েছে, সে ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারছে না এবং তার কথাবার্তাও অস্পষ্ট। শিশুটির চোখের পাশসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। নির্যাতনের ফলে তার নাক-মুখ ফুলে গেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর স্বজনদের দাবি, দুই থেকে তিন দিন ধরে শিশুটিকে মারধর করার পরও তাকে মাদ্রাসার ভেতরে আটকে রাখা হয়। এমনকি বাবা-মা সন্তানকে দেখতে গেলেও তাদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কীভাবে একটি শিশুর ওপর এমন নির্যাতনের ঘটনা ঘটতে পারে, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিশুটির পরিবার ও সচেতন মহল। তবে এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
মাদ্রাসায় শিশুকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার
খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ডাক্তারপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘নুরুল কুরআন তাহফিজ একাডেমি’-তে এক শিশুকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েক দিন ধরে মারধরের শিকার হওয়া শিশুটি বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবে কথা বলতেও পারছে না।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শিশুটির শরীরে জ্বর রয়েছে, সে ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারছে না এবং তার কথাবার্তাও অস্পষ্ট। শিশুটির চোখের পাশসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। নির্যাতনের ফলে তার নাক-মুখ ফুলে গেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর স্বজনদের দাবি, দুই থেকে তিন দিন ধরে শিশুটিকে মারধর করার পরও তাকে মাদ্রাসার ভেতরে আটকে রাখা হয়। এমনকি বাবা-মা সন্তানকে দেখতে গেলেও তাদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কীভাবে একটি শিশুর ওপর এমন নির্যাতনের ঘটনা ঘটতে পারে, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিশুটির পরিবার ও সচেতন মহল। তবে এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন