ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

একই স্কুল-কলেজ পেরিয়ে এবার একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে যময দুই ভাই

একই স্কুল-কলেজ পেরিয়ে এবার একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে যময দুই ভাই

এক স্বপ্ন, একসঙ্গে পথচলা—চবির চার বন্ধু যাচ্ছেন চার দেশে ফুল ফান্ডেড পিএইচডিতে চবির চার বন্ধুর চার দেশে

এক স্বপ্ন, একসঙ্গে পথচলা—চবির চার বন্ধু যাচ্ছেন চার দেশে ফুল ফান্ডেড পিএইচডিতে চবির চার বন্ধুর চার দেশে

লংমার্চ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, গাজীপুরে পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

লংমার্চ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, গাজীপুরে পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

কোর্ট রোডে শহীদ পলু সড়ক হকার উচ্ছেদ, ফুটপাত দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনে নবনির্বাচিত কমিটির অভিযান শুরু

কোর্ট রোডে শহীদ পলু সড়ক হকার উচ্ছেদ, ফুটপাত দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনে নবনির্বাচিত কমিটির অভিযান শুরু

কোর্ট রোড ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

কোর্ট রোড ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস-২৮ কূপের আনুষ্ঠানিক গ্যাস উৎপাদন শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস-২৮ কূপের আনুষ্ঠানিক গ্যাস উৎপাদন শুরু

২১ পারা মুখস্থ করা সাজ্জাদ আজ অসুস্থ, মায়ের আকুতি—ছেলেটাকে বাঁচান।

২১ পারা মুখস্থ করা সাজ্জাদ আজ অসুস্থ, মায়ের আকুতি—ছেলেটাকে বাঁচান।

অবশেষে অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে দাঁড়ালেন মানুষ, মিলল খাবার-চিকিৎসার ব্যবস্থা

অবশেষে অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে দাঁড়ালেন মানুষ, মিলল খাবার-চিকিৎসার ব্যবস্থা

রৌমারীতে বি'চ্ছেদের করুণ সুর: ইউনিয়ন পরিষদে দুই কিশোর-কিশোরীর আ'র্তনাদ

রৌমারীতে বি'চ্ছেদের করুণ সুর: ইউনিয়ন পরিষদে দুই কিশোর-কিশোরীর আ'র্তনাদ
সংগ্রহীত ছবি



রৌমারীতে বিচ্ছেদের করুণ সুর: ইউনিয়ন পরিষদে দুই কিশোর-কিশোরীর আর্তনাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক হাসান মাহমুদ জয় , রৌমারী (কুড়িগ্রাম)

কুড়িগ্রামের রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আজ এক হৃদয়বিদারক ঘটনার অবতারণা হয়েছে। পারিবারিক ও সামাজিক চাপের মুখে বিচ্ছিন্ন হতে যাওয়া দুই কিশোর-কিশোরীর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিষদের আকাশ-বাতাস। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে তাদের আকুতি ছিল একটাই— "আমাদের আলাদা করবেন না।"

ঘটনার প্রেক্ষাপট:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পদ্মার চর গ্রামের মো. কবির হোসাইন (১৯) এবং বাওয়াইর গ্রামের মোছা. জুঁই আক্তারের (১৬) মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে দুই পরিবারই তাতে অসম্মতি জানায়। একপর্যায়ে বিষয়টি মীমাংসার জন্য রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদে উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

পরিষদে আবেগঘন দৃশ্য:

বৈঠকে আইনি ও সামাজিক বাস্তবতার নিরিখে দুজনকে আলাদা করে নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই সিদ্ধান্ত শোনার পরপরই কবির ও জুঁই কান্নায় ভেঙে পড়েন। উপস্থিত লোকজনের সামনেই তারা একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন। বিচ্ছেদের আশঙ্কায় তাদের বুকফাটা আর্তনাদ আর "আমাদের বাঁচতে দিন" এমন আকুতি উপস্থিত সবার নজর কাড়ে। দীর্ঘ সময় তারা একে অপরকে ছাড়তে চাইছিলেন না, যা সেখানে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

সামাজিক বাস্তবতা ও প্রশ্ন:

পরিষদে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিশোর-কিশোরীদের এই আবেগ দেখে অনেকের চোখেই জল চলে আসে। তবে বয়স এবং সামাজিক রীতির কারণে শেষ পর্যন্ত তাদের আলাদা পথেই হাঁটতে হয়। এই ঘটনাটি আবারও কিছু মৌলিক প্রশ্ন সামনে এনেছে— সন্তানের আবেগ ও অনুভূতির মূল্যায়ন পরিবারে কতটুকু? জোরপূর্বক বিচ্ছেদ কি সত্যিই মনের টানকে মুছে ফেলতে পারে?

বর্তমান অবস্থা:

শেষ পর্যন্ত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে কবির ও জুঁইকে তাদের পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বিচ্ছেদের এই করুণ দৃশ্য রৌমারী এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রৌমারীতে বি'চ্ছেদের করুণ সুর: ইউনিয়ন পরিষদে দুই কিশোর-কিশোরীর আ'র্তনাদ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬

featured Image



রৌমারীতে বিচ্ছেদের করুণ সুর: ইউনিয়ন পরিষদে দুই কিশোর-কিশোরীর আর্তনাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক হাসান মাহমুদ জয় , রৌমারী (কুড়িগ্রাম)

কুড়িগ্রামের রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আজ এক হৃদয়বিদারক ঘটনার অবতারণা হয়েছে। পারিবারিক ও সামাজিক চাপের মুখে বিচ্ছিন্ন হতে যাওয়া দুই কিশোর-কিশোরীর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিষদের আকাশ-বাতাস। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে তাদের আকুতি ছিল একটাই— "আমাদের আলাদা করবেন না।"

ঘটনার প্রেক্ষাপট:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পদ্মার চর গ্রামের মো. কবির হোসাইন (১৯) এবং বাওয়াইর গ্রামের মোছা. জুঁই আক্তারের (১৬) মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে দুই পরিবারই তাতে অসম্মতি জানায়। একপর্যায়ে বিষয়টি মীমাংসার জন্য রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদে উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

পরিষদে আবেগঘন দৃশ্য:

বৈঠকে আইনি ও সামাজিক বাস্তবতার নিরিখে দুজনকে আলাদা করে নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই সিদ্ধান্ত শোনার পরপরই কবির ও জুঁই কান্নায় ভেঙে পড়েন। উপস্থিত লোকজনের সামনেই তারা একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন। বিচ্ছেদের আশঙ্কায় তাদের বুকফাটা আর্তনাদ আর "আমাদের বাঁচতে দিন" এমন আকুতি উপস্থিত সবার নজর কাড়ে। দীর্ঘ সময় তারা একে অপরকে ছাড়তে চাইছিলেন না, যা সেখানে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

সামাজিক বাস্তবতা ও প্রশ্ন:

পরিষদে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিশোর-কিশোরীদের এই আবেগ দেখে অনেকের চোখেই জল চলে আসে। তবে বয়স এবং সামাজিক রীতির কারণে শেষ পর্যন্ত তাদের আলাদা পথেই হাঁটতে হয়। এই ঘটনাটি আবারও কিছু মৌলিক প্রশ্ন সামনে এনেছে— সন্তানের আবেগ ও অনুভূতির মূল্যায়ন পরিবারে কতটুকু? জোরপূর্বক বিচ্ছেদ কি সত্যিই মনের টানকে মুছে ফেলতে পারে?

বর্তমান অবস্থা:

শেষ পর্যন্ত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে কবির ও জুঁইকে তাদের পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বিচ্ছেদের এই করুণ দৃশ্য রৌমারী এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।



ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল