সন্তানের মুখে একমুঠো ভাত তুলে দিতে আজ পচা ধানই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে জমিরুন বেগমের মতো অসংখ্য হাওরপাড়ের মায়ের কাছে। টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সুনামগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওর এখন এক গভীর জলরাশিতে পরিণত হয়েছে। যে জমিতে সোনালি ধান দোলার কথা ছিল, সেখানে আজ কেবল পানির নিচে ডুবে থাকা ফসল—যার অনেকটাই ইতোমধ্যে পচে গিয়ে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ।
তবুও থেমে নেই জীবনযুদ্ধ। বজ্রপাতের ঝুঁকি, কাদা-পানিতে ডুবে থাকার কষ্ট, আর শ্রমিকের অভাব—সবকিছু উপেক্ষা করেই কৃষক-কৃষাণীরা নেমে পড়েছেন শেষ সম্বলটুকু ঘরে তোলার মরিয়া চেষ্টায়। কারণ এই পচা ধানই হয়তো তাদের পরিবারের জন্য শেষ ভরসা, শেষ খাদ্যসংস্থান।
চোখেমুখে হতাশা থাকলেও হাল ছাড়ার উপায় নেই। প্রতিটি দানা ধান যেন তাদের কাছে বেঁচে থাকার প্রতীক। অনিশ্চয়তা আর দুঃসহ বাস্তবতার মাঝেও তারা লড়াই করে যাচ্ছেন—শুধু নিজের জন্য নয়, সন্তানের মুখে একমুঠো ভাত তুলে দেওয়ার আশায়।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
সন্তানের মুখে একমুঠো ভাত তুলে দিতে আজ পচা ধানই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে জমিরুন বেগমের মতো অসংখ্য হাওরপাড়ের মায়ের কাছে। টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সুনামগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওর এখন এক গভীর জলরাশিতে পরিণত হয়েছে। যে জমিতে সোনালি ধান দোলার কথা ছিল, সেখানে আজ কেবল পানির নিচে ডুবে থাকা ফসল—যার অনেকটাই ইতোমধ্যে পচে গিয়ে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ।
তবুও থেমে নেই জীবনযুদ্ধ। বজ্রপাতের ঝুঁকি, কাদা-পানিতে ডুবে থাকার কষ্ট, আর শ্রমিকের অভাব—সবকিছু উপেক্ষা করেই কৃষক-কৃষাণীরা নেমে পড়েছেন শেষ সম্বলটুকু ঘরে তোলার মরিয়া চেষ্টায়। কারণ এই পচা ধানই হয়তো তাদের পরিবারের জন্য শেষ ভরসা, শেষ খাদ্যসংস্থান।
চোখেমুখে হতাশা থাকলেও হাল ছাড়ার উপায় নেই। প্রতিটি দানা ধান যেন তাদের কাছে বেঁচে থাকার প্রতীক। অনিশ্চয়তা আর দুঃসহ বাস্তবতার মাঝেও তারা লড়াই করে যাচ্ছেন—শুধু নিজের জন্য নয়, সন্তানের মুখে একমুঠো ভাত তুলে দেওয়ার আশায়।

আপনার মতামত লিখুন