কক্সবাজার এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপ: চার দাঁত ভাঙাসহ আহত ২ যাত্রীকক্সবাজার রুটে চলাচলরত আন্তনগর ট্রেন ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’-এ পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে যাত্রীদের মধ্যে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় অন্তত দুই যাত্রী আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনের আঘাত গুরুতর।
আহতদের একজন মোহাম্মদ হিমেল আহমেদ (২৫)। জানালা দিয়ে ছোড়া পাথরের আঘাতে তার মুখে গুরুতর জখম হয় এবং একসঙ্গে চারটি দাঁত ভেঙে যায়। ঘটনাটি এতটাই আকস্মিক ছিল যে তিনি প্রতিক্রিয়া জানানোরও সুযোগ পাননি। অপর আহত যাত্রী মোহাম্মদ আবু সাঈদ (৪০) ঘাড়ে আঘাত পান। যদিও তার আঘাত তুলনামূলকভাবে কম গুরুতর, তবুও ঘটনাটি তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনটি যখন নির্দিষ্ট একটি এলাকায় অতিক্রম করছিল, তখন হঠাৎ করেই বাইরে থেকে এক বা একাধিক ব্যক্তি পাথর নিক্ষেপ শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যেই ট্রেনের কয়েকটি বগিতে আঘাত লাগে, কাঁচ ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে পাথর। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই দ্রুত জানালা থেকে সরে যান এবং কেউ কেউ মেঝেতে নিচু হয়ে বসে পড়েন নিরাপত্তার জন্য।
এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়, তবে এর পুনরাবৃত্তি যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। বিশেষ করে কক্সবাজার রুটটি পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এ ধরনের হামলা দেশের ভাবমূর্তিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, রেলপথের আশপাশে পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় দুর্বৃত্তরা সহজেই এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর সুযোগ পাচ্ছে।
আহতদের দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে রেলপথের নিরাপত্তা জোরদার, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত টহল এবং সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ শুধু দুষ্টামি নয়, এটি একটি গুরুতর অপরাধ যা প্রাণহানির কারণও হতে পারে। তাই এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া জরুরি, যাতে যাত্রীরা নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারেন।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
কক্সবাজার এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপ: চার দাঁত ভাঙাসহ আহত ২ যাত্রীকক্সবাজার রুটে চলাচলরত আন্তনগর ট্রেন ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’-এ পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে যাত্রীদের মধ্যে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় অন্তত দুই যাত্রী আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনের আঘাত গুরুতর।
আহতদের একজন মোহাম্মদ হিমেল আহমেদ (২৫)। জানালা দিয়ে ছোড়া পাথরের আঘাতে তার মুখে গুরুতর জখম হয় এবং একসঙ্গে চারটি দাঁত ভেঙে যায়। ঘটনাটি এতটাই আকস্মিক ছিল যে তিনি প্রতিক্রিয়া জানানোরও সুযোগ পাননি। অপর আহত যাত্রী মোহাম্মদ আবু সাঈদ (৪০) ঘাড়ে আঘাত পান। যদিও তার আঘাত তুলনামূলকভাবে কম গুরুতর, তবুও ঘটনাটি তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনটি যখন নির্দিষ্ট একটি এলাকায় অতিক্রম করছিল, তখন হঠাৎ করেই বাইরে থেকে এক বা একাধিক ব্যক্তি পাথর নিক্ষেপ শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যেই ট্রেনের কয়েকটি বগিতে আঘাত লাগে, কাঁচ ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে পাথর। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই দ্রুত জানালা থেকে সরে যান এবং কেউ কেউ মেঝেতে নিচু হয়ে বসে পড়েন নিরাপত্তার জন্য।
এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়, তবে এর পুনরাবৃত্তি যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। বিশেষ করে কক্সবাজার রুটটি পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এ ধরনের হামলা দেশের ভাবমূর্তিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, রেলপথের আশপাশে পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় দুর্বৃত্তরা সহজেই এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর সুযোগ পাচ্ছে।
আহতদের দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে রেলপথের নিরাপত্তা জোরদার, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত টহল এবং সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ শুধু দুষ্টামি নয়, এটি একটি গুরুতর অপরাধ যা প্রাণহানির কারণও হতে পারে। তাই এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া জরুরি, যাতে যাত্রীরা নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন