ফরিদপুরে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে তিনজনকে হত্যার এক ভয়াবহ ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের ছায়া ফেলেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলা-এর আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদারডাঙ্গী খুশির বাজার এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা হারুন মোল্লার ছেলে আকাশ (২৮), যিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানা গেছে, হঠাৎ করেই একটি কোদাল নিয়ে বাড়ির উঠানে উপস্থিত চারজনের ওপর হামলা চালান। ঘটনাটি এতটাই আকস্মিক ও নির্মম ছিল যে আশপাশের মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই রক্তাক্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন আকাশের মা রাহেলা বেগম (৫০), তার ফুফু আমেনা বেগম (৭৫) এবং প্রতিবেশী কাবুল (৪৫)। গুরুতর আহত হন আরও একজন, যাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পরপরই এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, আকাশ আগে থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন, তবে এত বড় ধরনের সহিংস আচরণ আগে কখনো করেননি। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে আটক করে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং আকাশের মানসিক অবস্থা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কী কারণে হঠাৎ করে তিনি এমন সহিংস হয়ে উঠলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই নৃশংস ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে, আর স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে তিনজনকে হত্যার এক ভয়াবহ ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের ছায়া ফেলেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলা-এর আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদারডাঙ্গী খুশির বাজার এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা হারুন মোল্লার ছেলে আকাশ (২৮), যিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানা গেছে, হঠাৎ করেই একটি কোদাল নিয়ে বাড়ির উঠানে উপস্থিত চারজনের ওপর হামলা চালান। ঘটনাটি এতটাই আকস্মিক ও নির্মম ছিল যে আশপাশের মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই রক্তাক্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন আকাশের মা রাহেলা বেগম (৫০), তার ফুফু আমেনা বেগম (৭৫) এবং প্রতিবেশী কাবুল (৪৫)। গুরুতর আহত হন আরও একজন, যাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পরপরই এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, আকাশ আগে থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন, তবে এত বড় ধরনের সহিংস আচরণ আগে কখনো করেননি। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে আটক করে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং আকাশের মানসিক অবস্থা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কী কারণে হঠাৎ করে তিনি এমন সহিংস হয়ে উঠলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই নৃশংস ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে, আর স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা।

আপনার মতামত লিখুন