হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরান–ওমান নতুন সমঝোতার পথে, যুক্তরাষ্ট্রকে প্রস্তাব তেহরানের
মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ইরান ও ওমান এর মধ্যে সমঝোতার উদ্যোগের পাশাপাশি, ওয়াশিংটনের কাছে একটি নতুন প্রস্তাবও দিয়েছে তেহরান—যার লক্ষ্য এই প্রণালিতে উত্তেজনা কমানো এবং চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানো।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম Axios-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুইটি সূত্র জানিয়েছে—ইরান চায় হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিকভাবে চালু রাখা হোক এবং এর মাধ্যমে আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমিত করা সম্ভব হোক। প্রস্তাবে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রশমনে পারস্পরিক সমঝোতায় পৌঁছানো গেলে পরবর্তী ধাপে অন্যান্য জটিল ইস্যুতে আলোচনা এগোতে পারে।
এই প্রস্তাবে আরও উল্লেখযোগ্য একটি দিক হলো—তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা আপাতত পিছিয়ে রাখতে আগ্রহী। অর্থাৎ, প্রথম ধাপে তারা নিরাপত্তা ও নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখার বিষয়টিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
সূত্রগুলো বলছে, এই প্রস্তাব সরাসরি নয়, বরং পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। এতে বোঝা যায়, সরাসরি আলোচনার পথ এখনও পুরোপুরি খোলা না থাকলেও পরোক্ষ কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালি ঘিরে যেকোনো উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ইরান–ওমানের এই নতুন সমঝোতার উদ্যোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া প্রস্তাবকে অনেকেই ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরান–ওমান নতুন সমঝোতার পথে, যুক্তরাষ্ট্রকে প্রস্তাব তেহরানের
মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ইরান ও ওমান এর মধ্যে সমঝোতার উদ্যোগের পাশাপাশি, ওয়াশিংটনের কাছে একটি নতুন প্রস্তাবও দিয়েছে তেহরান—যার লক্ষ্য এই প্রণালিতে উত্তেজনা কমানো এবং চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানো।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম Axios-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুইটি সূত্র জানিয়েছে—ইরান চায় হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিকভাবে চালু রাখা হোক এবং এর মাধ্যমে আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমিত করা সম্ভব হোক। প্রস্তাবে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রশমনে পারস্পরিক সমঝোতায় পৌঁছানো গেলে পরবর্তী ধাপে অন্যান্য জটিল ইস্যুতে আলোচনা এগোতে পারে।
এই প্রস্তাবে আরও উল্লেখযোগ্য একটি দিক হলো—তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা আপাতত পিছিয়ে রাখতে আগ্রহী। অর্থাৎ, প্রথম ধাপে তারা নিরাপত্তা ও নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখার বিষয়টিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
সূত্রগুলো বলছে, এই প্রস্তাব সরাসরি নয়, বরং পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। এতে বোঝা যায়, সরাসরি আলোচনার পথ এখনও পুরোপুরি খোলা না থাকলেও পরোক্ষ কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালি ঘিরে যেকোনো উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ইরান–ওমানের এই নতুন সমঝোতার উদ্যোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া প্রস্তাবকে অনেকেই ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন