ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাজনীতি ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) ও ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খানের সাম্প্রতিক টক শো উপস্থিতি। সেখানে আলোচনার এক পর্যায়ে সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের বিভিন্ন অপকর্ম এবং দেশের চলমান সংকটগুলো আড়াল করতে একটি সংঘবদ্ধ ‘অ্যাকটিভিজম’ দৃশ্যমান হচ্ছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু সংগঠিত গ্রুপ পরিকল্পিতভাবে জনমত ভিন্নদিকে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, এসব কার্যক্রমের ফলে প্রকৃত সমস্যাগুলো সামনে আসছে না, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে ভিন্ন ইস্যুকে বড় করে তোলা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে, একই আলোচনায় উপস্থিত ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, ছাত্রদল একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গণতান্ত্রিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই কাজ করছে এবং ‘অপকর্ম’ বা ইস্যু আড়াল করার অভিযোগ ভিত্তিহীন। তার দাবি, বরং বিরোধী মত দমনে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষমতার বৃহত্তর রাজনীতির প্রতিফলন হিসেবে কাজ করে। ফলে এক পক্ষের অভিযোগ ও অন্য পক্ষের পাল্টা বক্তব্য—দুটিই রাজনৈতিক অবস্থানের অংশ হিসেবে দেখা উচিত। বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার জন্য নিরপেক্ষ তদন্ত ও তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ জরুরি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও স্পষ্ট হয়েছে যে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে ছাত্রসংগঠনগুলো শুধু ক্যাম্পাসেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং জাতীয় রাজনীতির আলোচনাতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাজনীতি ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) ও ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খানের সাম্প্রতিক টক শো উপস্থিতি। সেখানে আলোচনার এক পর্যায়ে সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের বিভিন্ন অপকর্ম এবং দেশের চলমান সংকটগুলো আড়াল করতে একটি সংঘবদ্ধ ‘অ্যাকটিভিজম’ দৃশ্যমান হচ্ছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু সংগঠিত গ্রুপ পরিকল্পিতভাবে জনমত ভিন্নদিকে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, এসব কার্যক্রমের ফলে প্রকৃত সমস্যাগুলো সামনে আসছে না, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে ভিন্ন ইস্যুকে বড় করে তোলা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে, একই আলোচনায় উপস্থিত ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, ছাত্রদল একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গণতান্ত্রিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই কাজ করছে এবং ‘অপকর্ম’ বা ইস্যু আড়াল করার অভিযোগ ভিত্তিহীন। তার দাবি, বরং বিরোধী মত দমনে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষমতার বৃহত্তর রাজনীতির প্রতিফলন হিসেবে কাজ করে। ফলে এক পক্ষের অভিযোগ ও অন্য পক্ষের পাল্টা বক্তব্য—দুটিই রাজনৈতিক অবস্থানের অংশ হিসেবে দেখা উচিত। বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার জন্য নিরপেক্ষ তদন্ত ও তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ জরুরি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও স্পষ্ট হয়েছে যে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে ছাত্রসংগঠনগুলো শুধু ক্যাম্পাসেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং জাতীয় রাজনীতির আলোচনাতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন