রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, কোনো ধরনের উসকানি বা কথা কাটাকাটি ছাড়াই থানার ভেতরে ঢুকতেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।
জুবায়ের তার পোস্টে লিখেছেন, তারা কোনো ঝামেলা করতে যাননি; বরং নিজেদেরই ক্যাম্পাসের একটি বিষয় নিয়ে কথা বলতে থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে ঢোকার পরই হঠাৎ করে পরিস্থিতি বদলে যায়। “বৃষ্টির মতো কিল, ঘুষি, লাথি—যে যেভাবে পেরেছে মেরেছে,”—এভাবে ঘটনার বর্ণনা দেন তিনি। তার দাবি, কেন তাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে, সে বিষয়েও তিনি কিছুই বুঝতে পারেননি।
ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও একই ধরনের অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ ঘটনাকে তিনি ‘অপ্রত্যাশিত’ ও ‘নির্বিচার’ আক্রমণ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি নিরাপদ জায়গা হিসেবে পরিচিত থানার ভেতরে এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
ফেসবুক পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পরিস্থিতি জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা এবং তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে সবাই।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, কোনো ধরনের উসকানি বা কথা কাটাকাটি ছাড়াই থানার ভেতরে ঢুকতেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।
জুবায়ের তার পোস্টে লিখেছেন, তারা কোনো ঝামেলা করতে যাননি; বরং নিজেদেরই ক্যাম্পাসের একটি বিষয় নিয়ে কথা বলতে থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে ঢোকার পরই হঠাৎ করে পরিস্থিতি বদলে যায়। “বৃষ্টির মতো কিল, ঘুষি, লাথি—যে যেভাবে পেরেছে মেরেছে,”—এভাবে ঘটনার বর্ণনা দেন তিনি। তার দাবি, কেন তাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে, সে বিষয়েও তিনি কিছুই বুঝতে পারেননি।
ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও একই ধরনের অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ ঘটনাকে তিনি ‘অপ্রত্যাশিত’ ও ‘নির্বিচার’ আক্রমণ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি নিরাপদ জায়গা হিসেবে পরিচিত থানার ভেতরে এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
ফেসবুক পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পরিস্থিতি জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা এবং তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে সবাই।

আপনার মতামত লিখুন