যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং সংবেদনশীল।
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে যাওয়া দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নৃশংস হত্যার শিকার হয়েছেন। স্থানীয় সময় ২৪ এপ্রিল, শুক্রবার, ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, জামিলের রুমমেট ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত হিশাম আবুঘরবেহ এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। শুরুতে তিনি পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করলেও পরে আর তথ্য দিতে অনাগ্রহ দেখান।
ঘটনার পর জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছেন নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। তদন্তকারীরা আশঙ্কা করছেন, তাকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ডিত করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে—যা ঘটনাটিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
ফ্লোরিডার হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের অফিস জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে দুটি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে এটিকে “ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার” হিসেবে গণ্য করা হয়, যা সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলোর একটি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং সংবেদনশীল।
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে যাওয়া দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নৃশংস হত্যার শিকার হয়েছেন। স্থানীয় সময় ২৪ এপ্রিল, শুক্রবার, ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, জামিলের রুমমেট ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত হিশাম আবুঘরবেহ এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। শুরুতে তিনি পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করলেও পরে আর তথ্য দিতে অনাগ্রহ দেখান।
ঘটনার পর জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছেন নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। তদন্তকারীরা আশঙ্কা করছেন, তাকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ডিত করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে—যা ঘটনাটিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
ফ্লোরিডার হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের অফিস জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে দুটি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে এটিকে “ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার” হিসেবে গণ্য করা হয়, যা সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলোর একটি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন