যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের আশপাশে হঠাৎ করে গুলির শব্দ শোনার পর নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট Donald Trump-কে তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই পুরো এলাকায় উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয় এবং সিক্রেট সার্ভিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, হোয়াইট হাউসের বাইরের একটি নিরাপত্তা চৌকির কাছাকাছি এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হলে নিরাপত্তাকর্মীরা গুলি চালায়। এতে ওই ব্যক্তি আহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার সময় White House-এর ভেতরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নিরাপদ ছিলেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, তারা দ্রুত হুমকি শনাক্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত চলছে, কী কারণে ওই ব্যক্তি সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করছিল এবং তার উদ্দেশ্য কী ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর হোয়াইট হাউস ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বলছে, এ ধরনের ঘটনায় তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে এবং যেকোনো সম্ভাব্য হুমকির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের আশপাশে হঠাৎ করে গুলির শব্দ শোনার পর নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট Donald Trump-কে তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই পুরো এলাকায় উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয় এবং সিক্রেট সার্ভিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, হোয়াইট হাউসের বাইরের একটি নিরাপত্তা চৌকির কাছাকাছি এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হলে নিরাপত্তাকর্মীরা গুলি চালায়। এতে ওই ব্যক্তি আহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার সময় White House-এর ভেতরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নিরাপদ ছিলেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, তারা দ্রুত হুমকি শনাক্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত চলছে, কী কারণে ওই ব্যক্তি সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করছিল এবং তার উদ্দেশ্য কী ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর হোয়াইট হাউস ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বলছে, এ ধরনের ঘটনায় তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে এবং যেকোনো সম্ভাব্য হুমকির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়।

আপনার মতামত লিখুন