নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় জামায়াতের সাবেক এক সংসদ সদস্যের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোট ৬৩ জনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, হামলাটি পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সম্প্রতি এলাকায় রাজনৈতিক টানাপোড়েন বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় জামায়াতের ওই নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় এবং এতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। যদিও এতে কেউ গুরুতর আহত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এদিকে, মামলায় নাম আসায় বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। দলটির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া না এলেও নেতাকর্মীরা অভিযোগ করছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের নাম জড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই মামলা করা হয়েছে এবং কেউ দায়ী হলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পূর্বধলা উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় জামায়াতের সাবেক এক সংসদ সদস্যের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোট ৬৩ জনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, হামলাটি পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সম্প্রতি এলাকায় রাজনৈতিক টানাপোড়েন বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় জামায়াতের ওই নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় এবং এতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। যদিও এতে কেউ গুরুতর আহত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এদিকে, মামলায় নাম আসায় বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। দলটির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া না এলেও নেতাকর্মীরা অভিযোগ করছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের নাম জড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই মামলা করা হয়েছে এবং কেউ দায়ী হলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পূর্বধলা উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন