রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতিকে ঘিরে সহিংসতার একটি ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের গুরুতরভাবে আহত হওয়ার পর আক্ষেপ করে বলেছেন—“বাংলাদেশ ছাত্রলীগও কখনো এভাবে পেটায়নি।”
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর এই হামলার শিকার হন জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। অভিযোগ উঠেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়—যদিও এ অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
ঘটনার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আহত দুজনকে থানার ভেতরে নিয়ে যাওয়া হলেও বাইরে বিক্ষুব্ধ ভিড় জমে। প্রায় এক ঘণ্টা উত্তেজনার পর তাদের বিকল্প ফটক দিয়ে বের করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়।
এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম প্রশ্ন তুলেছেন—“এটাই কি গণতন্ত্র?” তিনি অভিযোগ করেন, নিরাপত্তার জন্য থানায় যাওয়ার পরও হামলার শিকার হওয়া দেশের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের বিষয়।
ঘটনার পরপরই ক্যাম্পাস রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, বিক্ষোভ ও জরুরি সভা—সব মিলিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের অন্যান্য ক্যাম্পাসেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
এই ঘটনাটি শুধু একটি হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি ছাত্ররাজনীতির বর্তমান সহিংস প্রবণতা, পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্বকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতিকে ঘিরে সহিংসতার একটি ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের গুরুতরভাবে আহত হওয়ার পর আক্ষেপ করে বলেছেন—“বাংলাদেশ ছাত্রলীগও কখনো এভাবে পেটায়নি।”
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর এই হামলার শিকার হন জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। অভিযোগ উঠেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়—যদিও এ অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
ঘটনার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আহত দুজনকে থানার ভেতরে নিয়ে যাওয়া হলেও বাইরে বিক্ষুব্ধ ভিড় জমে। প্রায় এক ঘণ্টা উত্তেজনার পর তাদের বিকল্প ফটক দিয়ে বের করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়।
এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম প্রশ্ন তুলেছেন—“এটাই কি গণতন্ত্র?” তিনি অভিযোগ করেন, নিরাপত্তার জন্য থানায় যাওয়ার পরও হামলার শিকার হওয়া দেশের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের বিষয়।
ঘটনার পরপরই ক্যাম্পাস রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, বিক্ষোভ ও জরুরি সভা—সব মিলিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের অন্যান্য ক্যাম্পাসেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
এই ঘটনাটি শুধু একটি হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি ছাত্ররাজনীতির বর্তমান সহিংস প্রবণতা, পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্বকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন