ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ব্যবহারের হার বেড়ে যাওয়ায় মজুত দ্রুত হ্রাস পেয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যু'দ্ধে যু'ক্তরাষ্ট্রের ক্ষে'পণাস্ত্র মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে: দ্য হিল

ইরানের সঙ্গে যু'দ্ধে যু'ক্তরাষ্ট্রের ক্ষে'পণাস্ত্র মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে: দ্য হিল

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে একাধিক প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কারণে দেশটির সামরিক ভাণ্ডারে চাপ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে উন্নত প্রযুক্তির নির্ভুল লক্ষ্যভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হার বেড়ে যাওয়ায় মজুত দ্রুত হ্রাস পেয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা ও সংঘাতময় পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রাখতে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে প্যাট্রিয়ট ও অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি কিছু দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল আঘাত হানার সক্ষম অস্ত্রও অন্তর্ভুক্ত ছিল। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুদ্ধে এই ধরনের অস্ত্র ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই অস্ত্রভাণ্ডারে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে, কারণ এগুলোর উৎপাদন প্রক্রিয়া জটিল এবং সময়সাপেক্ষ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক সামরিক প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ সংঘাত মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে একই সময়ে একাধিক অঞ্চলে সামরিক চাপ তৈরি হলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থা কতটা টেকসই থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, বর্তমান ব্যবহার হার অব্যাহত থাকলে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনর্গঠনে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।

তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের সামরিক সক্ষমতা এখনো শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট প্রস্তুতি তাদের আছে। তারা দাবি করেছে, অস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাও চলমান রয়েছে, ফলে দীর্ঘমেয়াদে কোনো বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নির্ভরতা যত বাড়ছে, ততই দেশগুলোর অস্ত্র মজুত ও পুনঃসরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এই ঘটনা ভবিষ্যতে সামরিক কৌশল পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেও অনেকে মনে করছেন।

সব মিলিয়ে, দ্য হিল-এর এই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে ইরান-সম্পর্কিত সামরিক উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হারকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে, যার প্রভাব এখন দেশটির প্রতিরক্ষা ভাণ্ডার ও কৌশলগত পরিকল্পনায় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


ইরানের সঙ্গে যু'দ্ধে যু'ক্তরাষ্ট্রের ক্ষে'পণাস্ত্র মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে: দ্য হিল

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে একাধিক প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কারণে দেশটির সামরিক ভাণ্ডারে চাপ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে উন্নত প্রযুক্তির নির্ভুল লক্ষ্যভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হার বেড়ে যাওয়ায় মজুত দ্রুত হ্রাস পেয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা ও সংঘাতময় পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রাখতে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে প্যাট্রিয়ট ও অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি কিছু দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল আঘাত হানার সক্ষম অস্ত্রও অন্তর্ভুক্ত ছিল। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুদ্ধে এই ধরনের অস্ত্র ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই অস্ত্রভাণ্ডারে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে, কারণ এগুলোর উৎপাদন প্রক্রিয়া জটিল এবং সময়সাপেক্ষ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক সামরিক প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ সংঘাত মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে একই সময়ে একাধিক অঞ্চলে সামরিক চাপ তৈরি হলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থা কতটা টেকসই থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, বর্তমান ব্যবহার হার অব্যাহত থাকলে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনর্গঠনে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।

তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের সামরিক সক্ষমতা এখনো শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট প্রস্তুতি তাদের আছে। তারা দাবি করেছে, অস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাও চলমান রয়েছে, ফলে দীর্ঘমেয়াদে কোনো বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নির্ভরতা যত বাড়ছে, ততই দেশগুলোর অস্ত্র মজুত ও পুনঃসরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এই ঘটনা ভবিষ্যতে সামরিক কৌশল পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেও অনেকে মনে করছেন।

সব মিলিয়ে, দ্য হিল-এর এই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে ইরান-সম্পর্কিত সামরিক উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হারকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে, যার প্রভাব এখন দেশটির প্রতিরক্ষা ভাণ্ডার ও কৌশলগত পরিকল্পনায় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল