দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় কোনো ধরনের সরকারি ঘোষণা বা প্রজ্ঞাপন ছাড়া বাসভাড়া না বাড়াতে মালিকদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছে পরিবহন মালিক সমিতি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত আগের নির্ধারিত ভাড়াই বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর বাস মালিকরা ভাড়া বাড়ানোর দাবি তুলেছেন এবং ইতোমধ্যে সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন প্রস্তাবও জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে দূরপাল্লা ও মহানগর এলাকায় ভাড়া উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে এখনো ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব দিক বিবেচনা করে মন্ত্রণালয়ই চূড়ান্তভাবে ভাড়া নির্ধারণ করবে।
বর্তমানে দূরপাল্লার বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ১২ পয়সা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২ টাকা ৪২ পয়সা নির্ধারিত রয়েছে, যা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যকর আছে।
এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষায় মালিক সমিতির এই নির্দেশনাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যাতে কোনো অঘোষিত বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না হয় এবং ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সরকারি নীতিমালার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় কোনো ধরনের সরকারি ঘোষণা বা প্রজ্ঞাপন ছাড়া বাসভাড়া না বাড়াতে মালিকদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছে পরিবহন মালিক সমিতি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত আগের নির্ধারিত ভাড়াই বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর বাস মালিকরা ভাড়া বাড়ানোর দাবি তুলেছেন এবং ইতোমধ্যে সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন প্রস্তাবও জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে দূরপাল্লা ও মহানগর এলাকায় ভাড়া উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে এখনো ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব দিক বিবেচনা করে মন্ত্রণালয়ই চূড়ান্তভাবে ভাড়া নির্ধারণ করবে।
বর্তমানে দূরপাল্লার বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ১২ পয়সা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২ টাকা ৪২ পয়সা নির্ধারিত রয়েছে, যা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যকর আছে।
এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষায় মালিক সমিতির এই নির্দেশনাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যাতে কোনো অঘোষিত বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না হয় এবং ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সরকারি নীতিমালার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

আপনার মতামত লিখুন