দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা।
এ পরীক্ষায় ব্যতিক্রমী এক ঘটনা ঘটেছে নোয়াখালীতে। একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে থাকা এক কিশোর শিক্ষার্থী আদালতের বিশেষ অনুমতিতে কারাগারের ভেতর থেকেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের বাসিন্দা মাহবুব এলাহী রাজিন (১৫) বর্তমানে নোয়াখালী জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সে নোয়ান্নই উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী এবং তার নির্ধারিত কেন্দ্র নোয়াখালী জিলা স্কুল। তবে বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে কারাগারের অভ্যন্তরেই জিলা স্কুল কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে তার পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রথমে তাকে টঙ্গী কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেন।
নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেলার আবু মুছা জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের বিধিমালা অনুসরণ করে তার পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। বাকি পরীক্ষাগুলোও একই প্রক্রিয়ায় কারাগারের ভেতরেই অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে কারাগারের জেল সুপার আ. বারেক বলেন, আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং যথাযথভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে।
জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুহাম্মদ সরওয়ার উদ্দীন জানান, নোয়াখালী জেলায় এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার আয়োজন বড় পরিসরে সম্পন্ন হচ্ছে।
জেলায় মোট ৭৫টি কেন্দ্রে ৩৫ হাজার ৫০১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে দাখিলে ৮ হাজার ৬৭১ জন এবং ভোকেশনালে ১ হাজার ৭২৩ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা।
এ পরীক্ষায় ব্যতিক্রমী এক ঘটনা ঘটেছে নোয়াখালীতে। একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে থাকা এক কিশোর শিক্ষার্থী আদালতের বিশেষ অনুমতিতে কারাগারের ভেতর থেকেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের বাসিন্দা মাহবুব এলাহী রাজিন (১৫) বর্তমানে নোয়াখালী জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সে নোয়ান্নই উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী এবং তার নির্ধারিত কেন্দ্র নোয়াখালী জিলা স্কুল। তবে বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে কারাগারের অভ্যন্তরেই জিলা স্কুল কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে তার পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রথমে তাকে টঙ্গী কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেন।
নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেলার আবু মুছা জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের বিধিমালা অনুসরণ করে তার পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। বাকি পরীক্ষাগুলোও একই প্রক্রিয়ায় কারাগারের ভেতরেই অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে কারাগারের জেল সুপার আ. বারেক বলেন, আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং যথাযথভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে।
জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুহাম্মদ সরওয়ার উদ্দীন জানান, নোয়াখালী জেলায় এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার আয়োজন বড় পরিসরে সম্পন্ন হচ্ছে।
জেলায় মোট ৭৫টি কেন্দ্রে ৩৫ হাজার ৫০১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে দাখিলে ৮ হাজার ৬৭১ জন এবং ভোকেশনালে ১ হাজার ৭২৩ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন