চট্টগ্রাম বন্দরে ৫১ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পৌঁছেছে
মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি ফুয়েল ট্যাংকার বুধবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। এই ট্যাংকারগুলো বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলের মধ্যে পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে নোঙর করবে। সেখানে পুরো জ্বালানি তেল খালাস করা হবে।
বন্দর সূত্র জানায়, নতুন এই সরবরাহ দেশের জ্বালানি সঙ্কট প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অকটেন মূলত যানবাহনের জন্য, আর ফার্নেস অয়েল ব্যবহৃত হয় শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে। পূর্ববর্তী কয়েক মাসে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক মূল্য ওঠানামার কারণে দেশে যোগান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল।
ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ প্রবেশ ও খালাস নিশ্চিত করতে বন্দরের পক্ষ থেকে সব ধরনের নৌপরিবহন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সরবরাহ সরকারের জ্বালানি মজুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
সরবরাহের পরে জ্বালানি তেল বিতরণ পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন শক্তিশালী কেন্দ্র ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঠানো হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের নিয়মিত আমদানি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত জরুরি।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে ৫১ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পৌঁছেছে
মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি ফুয়েল ট্যাংকার বুধবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। এই ট্যাংকারগুলো বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলের মধ্যে পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে নোঙর করবে। সেখানে পুরো জ্বালানি তেল খালাস করা হবে।
বন্দর সূত্র জানায়, নতুন এই সরবরাহ দেশের জ্বালানি সঙ্কট প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অকটেন মূলত যানবাহনের জন্য, আর ফার্নেস অয়েল ব্যবহৃত হয় শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে। পূর্ববর্তী কয়েক মাসে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক মূল্য ওঠানামার কারণে দেশে যোগান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল।
ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ প্রবেশ ও খালাস নিশ্চিত করতে বন্দরের পক্ষ থেকে সব ধরনের নৌপরিবহন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সরবরাহ সরকারের জ্বালানি মজুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
সরবরাহের পরে জ্বালানি তেল বিতরণ পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন শক্তিশালী কেন্দ্র ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঠানো হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের নিয়মিত আমদানি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন