ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

কর্মী বাঁচলে দল বাঁচবে ত্যাগীদের সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে—আশরাফুর রহমান বাবু

কর্মী বাঁচলে দল বাঁচবে ত্যাগীদের সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে—আশরাফুর রহমান বাবু

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবুকে মতলবে ৯৪ ব্যাচের সংবর্ধনা

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবুকে মতলবে ৯৪ ব্যাচের সংবর্ধনা

নোয়াখালীতে ছাত্রদল নেতা গু'লিবি'দ্ধ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল নেতা গু'লিবি'দ্ধ

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ সমাবেশ

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ সমাবেশ

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে নোয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল   ‎

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে নোয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ‎

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হলেন শোয়াইব খন্দকার

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হলেন শোয়াইব খন্দকার

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক হলেন মতলবের কৃতি সন্তান আশরাফুর রহমান বাবু

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক হলেন মতলবের কৃতি সন্তান আশরাফুর রহমান বাবু

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হা'মলা গু'লিবিদ্ধ-৫০আ'হত শতাধিক

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হা'মলা গু'লিবিদ্ধ-৫০আ'হত শতাধিক

প্রতিষ্ঠান কি এখন দলীয় নেতাদের পুনর্বাসনের জায়গায় পরিণত হচ্ছে?

সিটি ও জেলা পরিষদ কি বিএনপি নেতাদের ‘পুনর্বাসন কেন্দ্রে’ পরিণত হলো?

সিটি ও জেলা পরিষদ কি বিএনপি নেতাদের ‘পুনর্বাসন কেন্দ্রে’ পরিণত হলো?

সিটি ও জেলা পরিষদ কি বিএনপি নেতাদের ‘পুনর্বাসন কেন্দ্রে’ পরিণত হলো?

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত। সম্প্রতি সরকার দেশের সিটি করপোরেশনগুলোর পর ৪২টি জেলা পরিষদেও প্রশাসক হিসেবে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দিয়েছে। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে—এসব প্রতিষ্ঠান কি এখন দলীয় নেতাদের পুনর্বাসনের জায়গায় পরিণত হচ্ছে?

সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ নাকচ করা হয়েছে। সরকারের যুক্তি অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে অনেক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছিল না। তাই প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে সেবামূলক কার্যক্রম সচল করতে রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে স্থানীয় সরকার চালানো হলে অনেক সময় জনসম্পৃক্ততা কমে যায়। সে তুলনায় রাজনৈতিক নেতারা মাঠপর্যায়ের মানুষের সঙ্গে বেশি যোগাযোগ রাখেন, ফলে সেবাদান ও উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়।

তবে সমালোচকদের মতে, প্রশাসক পদে দলীয় নেতাদের নিয়োগ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। তাদের দাবি, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল শক্তি হওয়া উচিত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। কিন্তু নির্বাচন না করে দলীয়ভাবে প্রশাসক বসানো হলে তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, স্থানীয় সরকারে প্রশাসক নিয়োগ সাময়িক সমাধান হলেও দীর্ঘমেয়াদে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করাই সবচেয়ে কার্যকর পথ। কারণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই স্থানীয় উন্নয়ন ও সেবার ক্ষেত্রে বেশি জবাবদিহির মধ্যে থাকেন।

এদিকে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্তে অনেক স্থানীয় বিএনপি নেতা দায়িত্ব পাওয়ায় দলীয় কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। তারা এটিকে স্থানীয় সরকারকে সক্রিয় করার উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

সব মিলিয়ে সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়—এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে কতটা কার্যকর করতে পারে, নাকি সমালোচকদের আশঙ্কার মতো এটি সত্যিই দলীয় নেতাদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্র হয়ে ওঠে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


সিটি ও জেলা পরিষদ কি বিএনপি নেতাদের ‘পুনর্বাসন কেন্দ্রে’ পরিণত হলো?

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

সিটি ও জেলা পরিষদ কি বিএনপি নেতাদের ‘পুনর্বাসন কেন্দ্রে’ পরিণত হলো?

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত। সম্প্রতি সরকার দেশের সিটি করপোরেশনগুলোর পর ৪২টি জেলা পরিষদেও প্রশাসক হিসেবে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দিয়েছে। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে—এসব প্রতিষ্ঠান কি এখন দলীয় নেতাদের পুনর্বাসনের জায়গায় পরিণত হচ্ছে?

সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ নাকচ করা হয়েছে। সরকারের যুক্তি অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে অনেক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছিল না। তাই প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে সেবামূলক কার্যক্রম সচল করতে রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে স্থানীয় সরকার চালানো হলে অনেক সময় জনসম্পৃক্ততা কমে যায়। সে তুলনায় রাজনৈতিক নেতারা মাঠপর্যায়ের মানুষের সঙ্গে বেশি যোগাযোগ রাখেন, ফলে সেবাদান ও উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়।

তবে সমালোচকদের মতে, প্রশাসক পদে দলীয় নেতাদের নিয়োগ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। তাদের দাবি, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল শক্তি হওয়া উচিত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। কিন্তু নির্বাচন না করে দলীয়ভাবে প্রশাসক বসানো হলে তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, স্থানীয় সরকারে প্রশাসক নিয়োগ সাময়িক সমাধান হলেও দীর্ঘমেয়াদে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করাই সবচেয়ে কার্যকর পথ। কারণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই স্থানীয় উন্নয়ন ও সেবার ক্ষেত্রে বেশি জবাবদিহির মধ্যে থাকেন।

এদিকে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্তে অনেক স্থানীয় বিএনপি নেতা দায়িত্ব পাওয়ায় দলীয় কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। তারা এটিকে স্থানীয় সরকারকে সক্রিয় করার উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

সব মিলিয়ে সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়—এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে কতটা কার্যকর করতে পারে, নাকি সমালোচকদের আশঙ্কার মতো এটি সত্যিই দলীয় নেতাদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্র হয়ে ওঠে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল