ট্রাম্পের আহ্বান উপেক্ষা করে সরকারের পাশে ইরানের জনগণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরানে জনগণের একটি বড় অংশ সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তেহরানভিত্তিক বিশ্লেষকরা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের জনগণকে দেশটির শাসকদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার আহ্বান জানান। তিনি ইরানিদের উদ্দেশে বলেন, তারা যেন “নিজেদের দেশ ফিরে নেয়” এবং সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে।
তবে বাস্তবে পরিস্থিতি ভিন্ন চিত্র দেখাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক হামলার পর ইরানের বিভিন্ন শহরে অনেক মানুষ সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সমাবেশ করছেন এবং হামলার তীব্র নিন্দা করছেন।
তেহরানভিত্তিক মধ্যপ্রাচ্য স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টারের সিনিয়র গবেষক Abbas Aslani বলেন, জনগণের একটি অংশ আগে অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অসন্তোষের কারণে মনে করত, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো তাদের পক্ষে দাঁড়াবে। কিন্তু সাম্প্রতিক হামলার পর অনেকের ধারণা বদলে গেছে।
তার মতে, এখন অনেক ইরানি বুঝতে পারছেন যে বাইরের শক্তি তাদের সহায়তা করতে নয়, বরং চাপ সৃষ্টি করতেই এগিয়ে এসেছে। ফলে সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিক্ষোভের পরিবর্তে অনেক জায়গায় দেশকে রক্ষা করার আহ্বানে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশি হামলা প্রায়ই একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিভাজন কমিয়ে সাময়িকভাবে জাতীয় ঐক্য তৈরি করে। ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতেও সেই প্রবণতা স্পষ্ট হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
ট্রাম্পের আহ্বান উপেক্ষা করে সরকারের পাশে ইরানের জনগণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরানে জনগণের একটি বড় অংশ সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তেহরানভিত্তিক বিশ্লেষকরা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের জনগণকে দেশটির শাসকদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার আহ্বান জানান। তিনি ইরানিদের উদ্দেশে বলেন, তারা যেন “নিজেদের দেশ ফিরে নেয়” এবং সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে।
তবে বাস্তবে পরিস্থিতি ভিন্ন চিত্র দেখাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক হামলার পর ইরানের বিভিন্ন শহরে অনেক মানুষ সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সমাবেশ করছেন এবং হামলার তীব্র নিন্দা করছেন।
তেহরানভিত্তিক মধ্যপ্রাচ্য স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টারের সিনিয়র গবেষক Abbas Aslani বলেন, জনগণের একটি অংশ আগে অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অসন্তোষের কারণে মনে করত, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো তাদের পক্ষে দাঁড়াবে। কিন্তু সাম্প্রতিক হামলার পর অনেকের ধারণা বদলে গেছে।
তার মতে, এখন অনেক ইরানি বুঝতে পারছেন যে বাইরের শক্তি তাদের সহায়তা করতে নয়, বরং চাপ সৃষ্টি করতেই এগিয়ে এসেছে। ফলে সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিক্ষোভের পরিবর্তে অনেক জায়গায় দেশকে রক্ষা করার আহ্বানে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশি হামলা প্রায়ই একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিভাজন কমিয়ে সাময়িকভাবে জাতীয় ঐক্য তৈরি করে। ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতেও সেই প্রবণতা স্পষ্ট হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন