সচিবালয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে উদাহরণ স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নিজ দপ্তর থেকেই উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করে দেওয়া এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) তাপমাত্রা বাড়িয়ে বিদ্যুৎ খরচ কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে তার দপ্তরে পৌঁছান। অফিসে ঢুকেই তিনি নিজের কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইট বন্ধ করে দেন। একই সঙ্গে কক্ষের এসির তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করেন, যা তুলনামূলকভাবে কম বিদ্যুৎ খরচ করে।
প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে একটি প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও সচেতন ও সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি দপ্তরগুলোতে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো গেলে জাতীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ প্রশাসনের অন্য স্তরগুলোতেও সচেতনতা বাড়াবে বলে মনে করছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
সচিবালয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে উদাহরণ স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নিজ দপ্তর থেকেই উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করে দেওয়া এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) তাপমাত্রা বাড়িয়ে বিদ্যুৎ খরচ কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে তার দপ্তরে পৌঁছান। অফিসে ঢুকেই তিনি নিজের কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইট বন্ধ করে দেন। একই সঙ্গে কক্ষের এসির তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করেন, যা তুলনামূলকভাবে কম বিদ্যুৎ খরচ করে।
প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে একটি প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও সচেতন ও সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি দপ্তরগুলোতে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো গেলে জাতীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ প্রশাসনের অন্য স্তরগুলোতেও সচেতনতা বাড়াবে বলে মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন