লাতিন আমেরিকার দেশ ইকুয়েডর–এ সন্ত্রাসী ও মাদকচক্রের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে এই অভিযান পরিচালনা করছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইউএস সাউদার্ন কমান্ড।
কী বলেছে সাউদার্ন কমান্ড
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সাউদার্ন কমান্ড জানায়, অবৈধ মাদক পাচার মোকাবিলাই এ যৌথ অভিযানের মূল লক্ষ্য। তবে অভিযান কোথায়, কী পরিসরে বা কতদিন চলবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতেও নির্দিষ্ট অপারেশনাল তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
প্রেসিডেন্ট নোবোয়ার বক্তব্য
এর আগের দিন ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া বলেন, দেশের মাদক কার্টেলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রসহ আঞ্চলিক মিত্ররা অংশ নিচ্ছে। তার দাবি, বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ কোকেন এখন ইকুয়েডরের বৃহৎ সমুদ্রবন্দরগুলোর মাধ্যমে পাচার হয়। ফলে দেশটি আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান নেটওয়ার্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে।
প্রেক্ষাপট
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইকুয়েডরে মাদক-সহিংসতা ও গ্যাং তৎপরতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন অপরাধচক্রের সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। সরকার ইতোমধ্যে জরুরি অবস্থা জারি, সামরিক টহল জোরদার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপ নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই লাতিন আমেরিকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিচ্ছে। ইকুয়েডরের সঙ্গে এই নতুন যৌথ অভিযান আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় এবং এ অভিযানে কী ধরনের ফল আসে—সেটিই এখন পর্যবেক্ষণের বিষয়।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
লাতিন আমেরিকার দেশ ইকুয়েডর–এ সন্ত্রাসী ও মাদকচক্রের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে এই অভিযান পরিচালনা করছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইউএস সাউদার্ন কমান্ড।
কী বলেছে সাউদার্ন কমান্ড
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সাউদার্ন কমান্ড জানায়, অবৈধ মাদক পাচার মোকাবিলাই এ যৌথ অভিযানের মূল লক্ষ্য। তবে অভিযান কোথায়, কী পরিসরে বা কতদিন চলবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতেও নির্দিষ্ট অপারেশনাল তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
প্রেসিডেন্ট নোবোয়ার বক্তব্য
এর আগের দিন ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া বলেন, দেশের মাদক কার্টেলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রসহ আঞ্চলিক মিত্ররা অংশ নিচ্ছে। তার দাবি, বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ কোকেন এখন ইকুয়েডরের বৃহৎ সমুদ্রবন্দরগুলোর মাধ্যমে পাচার হয়। ফলে দেশটি আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান নেটওয়ার্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে।
প্রেক্ষাপট
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইকুয়েডরে মাদক-সহিংসতা ও গ্যাং তৎপরতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন অপরাধচক্রের সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। সরকার ইতোমধ্যে জরুরি অবস্থা জারি, সামরিক টহল জোরদার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপ নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই লাতিন আমেরিকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিচ্ছে। ইকুয়েডরের সঙ্গে এই নতুন যৌথ অভিযান আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় এবং এ অভিযানে কী ধরনের ফল আসে—সেটিই এখন পর্যবেক্ষণের বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন