কিশোরগঞ্জে গভীর রাতে আগুন, নানাবাড়িতে বেড়াতে আসা শিশু দগ্ধ
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় নানাবাড়িতে বেড়াতে আসা ৮ বছরের শিশু তৌহিদুল ইসলাম গুরুতর দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ১২টার দিকে উপজেলার আলিনগর গ্রামের কৃষক আবু তুরাবের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সৃষ্টি হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরেকটি ঘরেও।
ঘটনার সময় আবু তুরাবের নাতি তৌহিদুল ইসলাম তার নানার সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখা ও ঘন ধোঁয়ায় চারদিক ঢেকে গেলে পরিবারের সদস্যরা চিৎকার শুরু করেন। স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, তবে এর আগেই দুটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে ঘরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়সহ প্রয়োজনীয় মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তৌহিদুল ইসলামকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তৌহিদুল সম্প্রতি তার মায়ের সঙ্গে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কিশোরগঞ্জে গভীর রাতে আগুন, নানাবাড়িতে বেড়াতে আসা শিশু দগ্ধ
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় নানাবাড়িতে বেড়াতে আসা ৮ বছরের শিশু তৌহিদুল ইসলাম গুরুতর দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ১২টার দিকে উপজেলার আলিনগর গ্রামের কৃষক আবু তুরাবের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সৃষ্টি হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরেকটি ঘরেও।
ঘটনার সময় আবু তুরাবের নাতি তৌহিদুল ইসলাম তার নানার সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখা ও ঘন ধোঁয়ায় চারদিক ঢেকে গেলে পরিবারের সদস্যরা চিৎকার শুরু করেন। স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, তবে এর আগেই দুটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে ঘরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়সহ প্রয়োজনীয় মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তৌহিদুল ইসলামকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তৌহিদুল সম্প্রতি তার মায়ের সঙ্গে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন