২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরের এক সন্ধ্যায় বুড়িগঙ্গা নদী–র পাড়ে ঘুরতে গিয়ে এক তরুণীর জীবনে নেমে এসেছিল ভয়াবহ এক দুঃস্বপ্ন। বান্ধবীদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে জোরপূর্বক তাকে একটি নৌকায় তুলে নদীর মাঝখানে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
দীর্ঘ ১৭ বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে রায় ঘোষণা হয়েছে। ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনাটি ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঘটে। ভুক্তভোগী তরুণী বান্ধবীদের সঙ্গে নদীর পাড়ে বেড়াতে গেলে অভিযুক্তরা কৌশলে তাকে নৌকায় তোলে এবং নদীর মাঝখানে নিয়ে যায়। পরে তার ওপর সংঘবদ্ধ নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার পরপরই মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণসহ দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর আদালত রায় দেন। আদালত তার রায়ে অপরাধের গুরুত্ব ও নির্মমতা বিবেচনায় সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে বহু বছর পর হলেও বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত হলো বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এমন ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে জনবহুল এলাকায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা জোরদারের দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরের এক সন্ধ্যায় বুড়িগঙ্গা নদী–র পাড়ে ঘুরতে গিয়ে এক তরুণীর জীবনে নেমে এসেছিল ভয়াবহ এক দুঃস্বপ্ন। বান্ধবীদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে জোরপূর্বক তাকে একটি নৌকায় তুলে নদীর মাঝখানে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
দীর্ঘ ১৭ বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে রায় ঘোষণা হয়েছে। ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনাটি ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঘটে। ভুক্তভোগী তরুণী বান্ধবীদের সঙ্গে নদীর পাড়ে বেড়াতে গেলে অভিযুক্তরা কৌশলে তাকে নৌকায় তোলে এবং নদীর মাঝখানে নিয়ে যায়। পরে তার ওপর সংঘবদ্ধ নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার পরপরই মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণসহ দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর আদালত রায় দেন। আদালত তার রায়ে অপরাধের গুরুত্ব ও নির্মমতা বিবেচনায় সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে বহু বছর পর হলেও বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত হলো বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এমন ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে জনবহুল এলাকায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা জোরদারের দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।

আপনার মতামত লিখুন