ইসরায়েলের কারাগারে থাকা এক ফিলিস্তিনি বন্দি হঠাৎ করে রমজানের শুভেচ্ছা শুনে বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করেন— “আজ কি রোজা?” এমন একটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনার কথা জানিয়েছেন এক আইনজীবী।
বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। মুসলমানদের জন্য এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ইবাদতের মাস। কিন্তু ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি অনেক ফিলিস্তিনি রমজান শুরু হওয়ার খবরই জানতেন না—এমন দাবি উঠেছে সাম্প্রতিক বর্ণনায়।
আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি যখন এক বন্দির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান এবং রমজানের শুভেচ্ছা জানান, তখন বন্দি বিস্মিত হয়ে জানতে চান, “আজ কি রোজা?” দীর্ঘ সময় ধরে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে সীমিত যোগাযোগ, সংবাদপত্র বা টেলিভিশনের অভাব এবং কঠোর কারাব্যবস্থার কারণে তারা গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় সময়সূচি সম্পর্কেও অজ্ঞাত থেকে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি বন্দিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন বহুদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, ইসরায়েলের কারাগারগুলোতে ধর্মীয় স্বাধীনতা, চিকিৎসা সুবিধা ও পারিবারিক সাক্ষাতের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি, নামাজ আদায়ের সুযোগ এবং ধর্মীয় চর্চা নিশ্চিত করা নিয়েও প্রায়ই বিতর্ক দেখা দেয়।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বন্দিদের ধর্মীয় অনুশীলনের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সাধারণত বলে থাকে, কারাগারের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখেই বন্দিদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়।
রমজানের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় সময় শুরু হয়েছে—এ খবর না জানার বিষয়টি অনেকের কাছে উদ্বেগজনক বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ রমজান মুসলিমদের কাছে কেবল উপবাসের মাস নয়; এটি আত্মসংযম, দান-সদকা ও আধ্যাত্মিক চর্চার বিশেষ সময়।
এই ঘটনার বর্ণনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে বন্দিদের তথ্যপ্রাপ্তি ও ধর্মীয় অধিকার সংক্রান্ত বৃহত্তর সমস্যার প্রতিফলন হিসেবে

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসরায়েলের কারাগারে থাকা এক ফিলিস্তিনি বন্দি হঠাৎ করে রমজানের শুভেচ্ছা শুনে বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করেন— “আজ কি রোজা?” এমন একটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনার কথা জানিয়েছেন এক আইনজীবী।
বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। মুসলমানদের জন্য এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ইবাদতের মাস। কিন্তু ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি অনেক ফিলিস্তিনি রমজান শুরু হওয়ার খবরই জানতেন না—এমন দাবি উঠেছে সাম্প্রতিক বর্ণনায়।
আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি যখন এক বন্দির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান এবং রমজানের শুভেচ্ছা জানান, তখন বন্দি বিস্মিত হয়ে জানতে চান, “আজ কি রোজা?” দীর্ঘ সময় ধরে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে সীমিত যোগাযোগ, সংবাদপত্র বা টেলিভিশনের অভাব এবং কঠোর কারাব্যবস্থার কারণে তারা গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় সময়সূচি সম্পর্কেও অজ্ঞাত থেকে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি বন্দিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন বহুদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, ইসরায়েলের কারাগারগুলোতে ধর্মীয় স্বাধীনতা, চিকিৎসা সুবিধা ও পারিবারিক সাক্ষাতের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি, নামাজ আদায়ের সুযোগ এবং ধর্মীয় চর্চা নিশ্চিত করা নিয়েও প্রায়ই বিতর্ক দেখা দেয়।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বন্দিদের ধর্মীয় অনুশীলনের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সাধারণত বলে থাকে, কারাগারের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখেই বন্দিদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়।
রমজানের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় সময় শুরু হয়েছে—এ খবর না জানার বিষয়টি অনেকের কাছে উদ্বেগজনক বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ রমজান মুসলিমদের কাছে কেবল উপবাসের মাস নয়; এটি আত্মসংযম, দান-সদকা ও আধ্যাত্মিক চর্চার বিশেষ সময়।
এই ঘটনার বর্ণনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে বন্দিদের তথ্যপ্রাপ্তি ও ধর্মীয় অধিকার সংক্রান্ত বৃহত্তর সমস্যার প্রতিফলন হিসেবে

আপনার মতামত লিখুন