ক্ষমতা ভোগ নয়, আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার জন্য রাজনীতি করি : মামুনুল হক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিকশা প্রতীকে ভোট এবং প্রস্তাবিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন,
“আমার রাজনীতি ক্ষমতা ভোগের জন্য নয়। এটি আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা এবং জনগণের আমানত রক্ষার রাজনীতি।”
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক সুশাসন ছাড়া দেশে ন্যায়বিচার, সামাজিক নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি রাজনীতিকে ইবাদতের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ক্ষমতায় গেলে ব্যক্তিস্বার্থ নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জনগণের কল্যাণকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ভাষণে তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক রূপরেখা উপস্থাপন করেন, যেখানে অন্তর্ভুক্ত ছিল—
রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মৌলিক সংস্কার
অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও দুর্নীতিমুক্ত অর্থব্যবস্থা
যুবসমাজের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি
নৈতিকতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা
ইসলামী সুশাসন প্রতিষ্ঠা
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত গণভোটের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দিকনির্দেশনায় মত প্রকাশের সুযোগ পাবে, যা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।
শেষে তিনি দেশবাসীর প্রতি শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান এবং বলেন, “এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদলের নয়, এটি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্ধারণের নির্বাচন।”

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্ষমতা ভোগ নয়, আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার জন্য রাজনীতি করি : মামুনুল হক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিকশা প্রতীকে ভোট এবং প্রস্তাবিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন,
“আমার রাজনীতি ক্ষমতা ভোগের জন্য নয়। এটি আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা এবং জনগণের আমানত রক্ষার রাজনীতি।”
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক সুশাসন ছাড়া দেশে ন্যায়বিচার, সামাজিক নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি রাজনীতিকে ইবাদতের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ক্ষমতায় গেলে ব্যক্তিস্বার্থ নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জনগণের কল্যাণকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ভাষণে তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক রূপরেখা উপস্থাপন করেন, যেখানে অন্তর্ভুক্ত ছিল—
রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মৌলিক সংস্কার
অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও দুর্নীতিমুক্ত অর্থব্যবস্থা
যুবসমাজের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি
নৈতিকতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা
ইসলামী সুশাসন প্রতিষ্ঠা
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত গণভোটের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দিকনির্দেশনায় মত প্রকাশের সুযোগ পাবে, যা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।
শেষে তিনি দেশবাসীর প্রতি শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান এবং বলেন, “এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদলের নয়, এটি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্ধারণের নির্বাচন।”

আপনার মতামত লিখুন