আজ রাজধানীতে যেসব জনসভায় যোগ দেবেন জামায়াত আমির
দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো। রাজধানী ঢাকা এখন পরিণত হয়েছে নির্বাচনী রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে।
সারা দেশে গণসংযোগ ও জনসভা শেষ করে এবার ঢাকায় চূড়ান্ত ও বড় ধরনের প্রচার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। এর অংশ হিসেবে আজ সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একাধিক জনসভায় যোগ দেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোটের শেষ সময়ে রাজধানীর ভোটারদের সরাসরি কাছে পৌঁছাতে জামায়াতে ইসলামী ঢাকাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। সে লক্ষ্যেই আজকের দিনব্যাপী কর্মসূচিতে একাধিক নির্বাচনী জনসভা, পথসভা ও সংক্ষিপ্ত গণসংযোগের আয়োজন করা হয়েছে।
যেসব জনসভায় যোগ দেবেন জামায়াত আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণ ঢাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় এলাকায় আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এসব জনসভায় সংশ্লিষ্ট আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাওয়া হবে।
প্রতিটি জনসভায় তিনি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচনকালীন পরিবেশ, ভোটাধিকার রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ও ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করবেন তিনি।
রাজধানীতে বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ
নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে এসে রাজধানীজুড়ে প্রচারণার মাত্রা আরও বেড়েছে। বড় বড় ব্যানার, পোস্টার, মাইকিং ও জনসভায় মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকার রাজপথ। বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার আসনগুলো জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। সে কারণেই শেষ দিনে রাজধানীতে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো।
শেষ দিনের বার্তা ভোটারদের জন্য
জামায়াতে ইসলামী মনে করছে, আজকের জনসভাগুলো ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে বড় ভূমিকা রাখবে। দলটির নেতারা আশা করছেন, আমিরের সরাসরি বক্তব্য ও উপস্থিতি ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করবে।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও রাজধানীর জনসভাগুলো ঘিরে বাড়তি সতর্কতা গ্রহণ করেছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রচার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজ রাজধানীতে যেসব জনসভায় যোগ দেবেন জামায়াত আমির
দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো। রাজধানী ঢাকা এখন পরিণত হয়েছে নির্বাচনী রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে।
সারা দেশে গণসংযোগ ও জনসভা শেষ করে এবার ঢাকায় চূড়ান্ত ও বড় ধরনের প্রচার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। এর অংশ হিসেবে আজ সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একাধিক জনসভায় যোগ দেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোটের শেষ সময়ে রাজধানীর ভোটারদের সরাসরি কাছে পৌঁছাতে জামায়াতে ইসলামী ঢাকাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। সে লক্ষ্যেই আজকের দিনব্যাপী কর্মসূচিতে একাধিক নির্বাচনী জনসভা, পথসভা ও সংক্ষিপ্ত গণসংযোগের আয়োজন করা হয়েছে।
যেসব জনসভায় যোগ দেবেন জামায়াত আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণ ঢাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় এলাকায় আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এসব জনসভায় সংশ্লিষ্ট আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাওয়া হবে।
প্রতিটি জনসভায় তিনি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচনকালীন পরিবেশ, ভোটাধিকার রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ও ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করবেন তিনি।
রাজধানীতে বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ
নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে এসে রাজধানীজুড়ে প্রচারণার মাত্রা আরও বেড়েছে। বড় বড় ব্যানার, পোস্টার, মাইকিং ও জনসভায় মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকার রাজপথ। বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার আসনগুলো জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। সে কারণেই শেষ দিনে রাজধানীতে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো।
শেষ দিনের বার্তা ভোটারদের জন্য
জামায়াতে ইসলামী মনে করছে, আজকের জনসভাগুলো ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে বড় ভূমিকা রাখবে। দলটির নেতারা আশা করছেন, আমিরের সরাসরি বক্তব্য ও উপস্থিতি ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করবে।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও রাজধানীর জনসভাগুলো ঘিরে বাড়তি সতর্কতা গ্রহণ করেছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রচার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন