৩০০ টাকা ঘুষে চাকরি গেল ইসি কর্মকর্তার
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা দিতে গিয়ে মাত্র ৩০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘুষের তথ্য গোপন ও সংবাদ প্রকাশ ঠেকাতে একজন সাংবাদিককে ২৯ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে।
অপসারিত কর্মকর্তার নাম শুধাংশু কুমার সাহা। তিনি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তার বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তির আদেশ ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।
যেভাবে ঘটনা প্রকাশ পায়
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এনআইডি সংশোধন সেবা দিতে গিয়ে শুধাংশু কুমার সাহা একজন সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ৩০০ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন একজন সাংবাদিক।
পরবর্তীতে ওই ভিডিও ও খবর প্রকাশ বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে ২৯ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তবে বিষয়টি গোপন না থেকে উল্টো নির্বাচন কমিশনের নজরে আসে।
তদন্ত ও শাস্তির সিদ্ধান্ত
ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়। এরপর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ প্রশাসনিক শাস্তি হিসেবে তাকে চাকরি থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।
ইসির বার্তা
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, সরকারি সেবায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। অল্প অঙ্কের ঘুষ হলেও তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩০০ টাকা ঘুষে চাকরি গেল ইসি কর্মকর্তার
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা দিতে গিয়ে মাত্র ৩০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘুষের তথ্য গোপন ও সংবাদ প্রকাশ ঠেকাতে একজন সাংবাদিককে ২৯ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে।
অপসারিত কর্মকর্তার নাম শুধাংশু কুমার সাহা। তিনি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তার বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তির আদেশ ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।
যেভাবে ঘটনা প্রকাশ পায়
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এনআইডি সংশোধন সেবা দিতে গিয়ে শুধাংশু কুমার সাহা একজন সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ৩০০ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন একজন সাংবাদিক।
পরবর্তীতে ওই ভিডিও ও খবর প্রকাশ বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে ২৯ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তবে বিষয়টি গোপন না থেকে উল্টো নির্বাচন কমিশনের নজরে আসে।
তদন্ত ও শাস্তির সিদ্ধান্ত
ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়। এরপর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ প্রশাসনিক শাস্তি হিসেবে তাকে চাকরি থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।
ইসির বার্তা
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, সরকারি সেবায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। অল্প অঙ্কের ঘুষ হলেও তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন