চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে বিএনপি নেতার ব্রিকফিল্ডে অস্ত্র কারখানা উন্মোচিত, দুইজন আটক
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আমানউল্লাহ ইউনিয়নে বিএনপি নেতার ব্রিকফিল্ডে অভিযান চালিয়ে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’-এর আওতায় বৃহস্পতিবার ভোরে।
অভিযানকালে ব্রিকফিল্ডের ম্যানেজার মো. রাসেদ (৪০) এবং রহমতপুর ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. আকবর (৪৩)কে আটক করা হয়েছে। তাদের উপর অস্ত্র কারখানার সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ও অপারেশন পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত সরঞ্জাম ও অস্ত্র নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সন্দ্বীপ উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলেছে, এই ধরনের গোপন অস্ত্র উৎপাদন দেশের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। তাই ভবিষ্যতেও এমন কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ব্রিকফিল্ডটি দীর্ঘদিন ধরে চলছিল, কিন্তু এ ধরনের গোপন কার্যক্রম সম্পর্কে তারা আগে সচেতন ছিলেন না। নিরাপত্তা বাহিনী আশা করছে, অভিযান থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
এই অভিযানের মাধ্যমে সরকারের সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী দেশে অস্ত্র কারখানার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে বিএনপি নেতার ব্রিকফিল্ডে অস্ত্র কারখানা উন্মোচিত, দুইজন আটক
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আমানউল্লাহ ইউনিয়নে বিএনপি নেতার ব্রিকফিল্ডে অভিযান চালিয়ে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’-এর আওতায় বৃহস্পতিবার ভোরে।
অভিযানকালে ব্রিকফিল্ডের ম্যানেজার মো. রাসেদ (৪০) এবং রহমতপুর ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. আকবর (৪৩)কে আটক করা হয়েছে। তাদের উপর অস্ত্র কারখানার সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ও অপারেশন পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত সরঞ্জাম ও অস্ত্র নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সন্দ্বীপ উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলেছে, এই ধরনের গোপন অস্ত্র উৎপাদন দেশের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। তাই ভবিষ্যতেও এমন কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ব্রিকফিল্ডটি দীর্ঘদিন ধরে চলছিল, কিন্তু এ ধরনের গোপন কার্যক্রম সম্পর্কে তারা আগে সচেতন ছিলেন না। নিরাপত্তা বাহিনী আশা করছে, অভিযান থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
এই অভিযানের মাধ্যমে সরকারের সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী দেশে অস্ত্র কারখানার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন