বাংলাদেশে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার—উভয় পদ শূন্য থাকায় সংবিধানের বিশেষ বিধান অনুযায়ী এই দায়িত্ব পালন করবেন সিইসি।
সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব সাধারণত স্পিকারের। তবে স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে বা পদ শূন্য হলে তাঁর মনোনীত কেউ অথবা সংবিধানে নির্ধারিত বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে শপথ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার—দু’টি পদই শূন্য থাকায় সে অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারকেই এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সমন্বয় ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান যাতে সংবিধানসম্মতভাবে এবং নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়, সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র বলছে, এটি কোনো ব্যতিক্রমী বা অসাংবিধানিক সিদ্ধান্ত নয়। বরং সংবিধানের বিদ্যমান বিধানের মধ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্পিকার না থাকলে সাংবিধানিক শূন্যতা এড়াতে বিকল্প কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ করানোই নিয়ম।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর দ্রুত সংসদ কার্যক্রম শুরু করতে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তাই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকলেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ করানো হবে সময়োপযোগী ও বৈধ পদক্ষেপ।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন-পরবর্তী আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরুর পথ সুগম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার—উভয় পদ শূন্য থাকায় সংবিধানের বিশেষ বিধান অনুযায়ী এই দায়িত্ব পালন করবেন সিইসি।
সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব সাধারণত স্পিকারের। তবে স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে বা পদ শূন্য হলে তাঁর মনোনীত কেউ অথবা সংবিধানে নির্ধারিত বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে শপথ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার—দু’টি পদই শূন্য থাকায় সে অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারকেই এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সমন্বয় ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান যাতে সংবিধানসম্মতভাবে এবং নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়, সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র বলছে, এটি কোনো ব্যতিক্রমী বা অসাংবিধানিক সিদ্ধান্ত নয়। বরং সংবিধানের বিদ্যমান বিধানের মধ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্পিকার না থাকলে সাংবিধানিক শূন্যতা এড়াতে বিকল্প কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ করানোই নিয়ম।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর দ্রুত সংসদ কার্যক্রম শুরু করতে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তাই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকলেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ করানো হবে সময়োপযোগী ও বৈধ পদক্ষেপ।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন-পরবর্তী আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরুর পথ সুগম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন