বিএনপি’তে গণ-পদত্যাগ: ২ দিনে দল ছাড়লেন প্রায় ১৫০ নেতা-কর্মী
মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনকে কেন্দ্র করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল তীব্র আকার ধারণ করেছে। মনোনয়নসহ জেলা স্তরের সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূল নেতাদের অসন্তোষ ও অগণতান্ত্রিক বহিষ্কারের অভিযোগে গত দুই দিনে অন্তত ১৫০ জন নেতা-কর্মী দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
???? পদত্যাগের পটভূমি:
জেলা ও উপজেলা নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন দলের জন্য কাজ করলেও তৃণমূল মতামত উপেক্ষিত হচ্ছে, এবং কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে, যা তারা ‘অগণতান্ত্রিক’ বলে মনে করছেন
তারা বলেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়ন প্রক্রিয়া তৃণমূল নেতাদের মতামত বিবেচনায় না নিয়ে একতরফাভাবে পরিচালিত হচ্ছে; এতে ক্ষোভ ও বিক্ষোভের কারণে পদত্যাগের এই ঢেউ তৈরি হয়েছে।
???? কোথায় ঘোষণা করা হলো:
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে মুক্তারপুর পুরাতন ফেরিঘাট, সদর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই গণ-পদত্যাগ ঘোষণা করা হয়।
???? পদত্যাগকারীদের মধ্যে কারা রয়েছেন:
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন পদে থাকা নেতাকর্মীরা স্বতন্ত্রভাবে সাংগঠনিক পদ ও সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। এর মধ্যে সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিজয় হাসান ছোট বিজয়, শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আশ্রাফুজ্জামান অভি, জেলা বিএনপির সদস্য আবু বকর মাদবর, মাহবুবুর রহমান খাঁনসহ অনেকে রয়েছেন।
???? পাওয়া অভিযোগ:
– দীর্ঘদিন দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেও তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করা হচ্ছে।
– অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বহিষ্কার করা হচ্ছে, কোনো নোটিশ বা কারণ দেখানো হয়নি।
– পদত্যাগকারীরা বলছেন, এমন ঊর্ধ্বতন সিদ্ধান্তে ভবিষ্যতে আরও অনেক নেতা দল ছাড়তে পারেন।
???? রাজনৈতিক প্রভাব:
দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের পুরাতন নেতাদের সরিয়ে দিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ায়, জেলা ও উপদ্বন্দ্ব থাকা সাংগঠনিক স্তরের নেতাদের মধ্যে বিরক্তি এবং অসন্তোষ ছড়াচ্ছে, যা নির্বাচনের প্রস্তুতি ও মাঠে কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে অভিজ্ঞ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি’তে গণ-পদত্যাগ: ২ দিনে দল ছাড়লেন প্রায় ১৫০ নেতা-কর্মী
মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনকে কেন্দ্র করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল তীব্র আকার ধারণ করেছে। মনোনয়নসহ জেলা স্তরের সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূল নেতাদের অসন্তোষ ও অগণতান্ত্রিক বহিষ্কারের অভিযোগে গত দুই দিনে অন্তত ১৫০ জন নেতা-কর্মী দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
???? পদত্যাগের পটভূমি:
জেলা ও উপজেলা নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন দলের জন্য কাজ করলেও তৃণমূল মতামত উপেক্ষিত হচ্ছে, এবং কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে, যা তারা ‘অগণতান্ত্রিক’ বলে মনে করছেন
তারা বলেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়ন প্রক্রিয়া তৃণমূল নেতাদের মতামত বিবেচনায় না নিয়ে একতরফাভাবে পরিচালিত হচ্ছে; এতে ক্ষোভ ও বিক্ষোভের কারণে পদত্যাগের এই ঢেউ তৈরি হয়েছে।
???? কোথায় ঘোষণা করা হলো:
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে মুক্তারপুর পুরাতন ফেরিঘাট, সদর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই গণ-পদত্যাগ ঘোষণা করা হয়।
???? পদত্যাগকারীদের মধ্যে কারা রয়েছেন:
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন পদে থাকা নেতাকর্মীরা স্বতন্ত্রভাবে সাংগঠনিক পদ ও সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। এর মধ্যে সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিজয় হাসান ছোট বিজয়, শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আশ্রাফুজ্জামান অভি, জেলা বিএনপির সদস্য আবু বকর মাদবর, মাহবুবুর রহমান খাঁনসহ অনেকে রয়েছেন।
???? পাওয়া অভিযোগ:
– দীর্ঘদিন দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেও তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করা হচ্ছে।
– অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বহিষ্কার করা হচ্ছে, কোনো নোটিশ বা কারণ দেখানো হয়নি।
– পদত্যাগকারীরা বলছেন, এমন ঊর্ধ্বতন সিদ্ধান্তে ভবিষ্যতে আরও অনেক নেতা দল ছাড়তে পারেন।
???? রাজনৈতিক প্রভাব:
দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের পুরাতন নেতাদের সরিয়ে দিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ায়, জেলা ও উপদ্বন্দ্ব থাকা সাংগঠনিক স্তরের নেতাদের মধ্যে বিরক্তি এবং অসন্তোষ ছড়াচ্ছে, যা নির্বাচনের প্রস্তুতি ও মাঠে কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে অভিজ্ঞ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন