চাঁদাবাজির অভিযোগে মুখোমুখি ডাকসু–ছাত্রদল, মামলা করার হুঁশিয়ারি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ঢাবি প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ক্যাম্পাসের ভ্রাম্যমাণ ও ক্ষুদ্র দোকানগুলোকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
তারা দাবি করেছে একটি চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যেখানে কিছু বিতর্কিত ডাকসু প্রতিনিধি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারীর দৃঢ় অংশগ্রহণ এবং যোগসাজশ আছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এসব সিন্ডিকেট ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের দোকানগুলোকে টার্গেট করছে এবং অতীতে ভাঙচুর ঘটিয়েছে।
তারা প্রশাসনের কাছে নিয়ম-কানুন স্পষ্ট করার ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
পাশাপাশি, দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ছাত্রদল।
???? ডাকসুর পাল্টা দাবি
ডাকসু নেতারা পাল্টা অভিযোগ করেছেন এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও উচ্ছেদের ভিডিও ফুটেজ, অডিও ও বিভিন্ন প্রমাণাদি শিক্ষার্থীদের সামনে ডকুমেন্টারি আকারে দেখিয়েছে।
ডাকসুর পক্ষ দাবি করেছে তারা জানানামা এবং প্রমাণ দেখাচ্ছে যে, বাস্তবে কী ঘটেছে — যাতে শিক্ষার্থীরা সঠিক তথ্য জানতে পারে।
????️ প্রশাসনের পদক্ষেপ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদের নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তের জন্য চার সদস্যের একটি সত্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে।
কমিটিকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মিরাজ কোবাদ চৌধুরী, সদস্যদের মধ্যে সহকারী প্রক্টর এবং একটি এস্টেট ম্যানেজার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এই ইস্যুতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থান তৈরি হয়েছে, এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উভয় দিক থেকে প্রমাণ ও দাবির বিনিময় হচ্ছে।
সময়সীমা দিয়ে ছাত্রদল দাবি করেছে যদি স্পষ্ট ব্যাখ্যা না চলে তাহলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, আর ডাকসু প্রমাণ প্রদর্শন করে এই অভিযোগকে উপস্থাপন করছে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
চাঁদাবাজির অভিযোগে মুখোমুখি ডাকসু–ছাত্রদল, মামলা করার হুঁশিয়ারি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ঢাবি প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ক্যাম্পাসের ভ্রাম্যমাণ ও ক্ষুদ্র দোকানগুলোকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
তারা দাবি করেছে একটি চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যেখানে কিছু বিতর্কিত ডাকসু প্রতিনিধি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারীর দৃঢ় অংশগ্রহণ এবং যোগসাজশ আছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এসব সিন্ডিকেট ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের দোকানগুলোকে টার্গেট করছে এবং অতীতে ভাঙচুর ঘটিয়েছে।
তারা প্রশাসনের কাছে নিয়ম-কানুন স্পষ্ট করার ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
পাশাপাশি, দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ছাত্রদল।
???? ডাকসুর পাল্টা দাবি
ডাকসু নেতারা পাল্টা অভিযোগ করেছেন এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও উচ্ছেদের ভিডিও ফুটেজ, অডিও ও বিভিন্ন প্রমাণাদি শিক্ষার্থীদের সামনে ডকুমেন্টারি আকারে দেখিয়েছে।
ডাকসুর পক্ষ দাবি করেছে তারা জানানামা এবং প্রমাণ দেখাচ্ছে যে, বাস্তবে কী ঘটেছে — যাতে শিক্ষার্থীরা সঠিক তথ্য জানতে পারে।
????️ প্রশাসনের পদক্ষেপ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদের নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তের জন্য চার সদস্যের একটি সত্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে।
কমিটিকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মিরাজ কোবাদ চৌধুরী, সদস্যদের মধ্যে সহকারী প্রক্টর এবং একটি এস্টেট ম্যানেজার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এই ইস্যুতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থান তৈরি হয়েছে, এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উভয় দিক থেকে প্রমাণ ও দাবির বিনিময় হচ্ছে।
সময়সীমা দিয়ে ছাত্রদল দাবি করেছে যদি স্পষ্ট ব্যাখ্যা না চলে তাহলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, আর ডাকসু প্রমাণ প্রদর্শন করে এই অভিযোগকে উপস্থাপন করছে।

আপনার মতামত লিখুন