লক্ষ্মীপুরে মাদকসেবীদের হামলায় কলেজছাত্র নিহত, র্যাব গ্রেপ্তার ৩
লক্ষ্মীপুরের **রায়পুর উপজেলায় মাদকসেবী ও মাদক কারবারির সন্দেহে একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম (রায়পুর রুস্তম আলী কলেজের ডিগ্রী শেষ বর্ষের ছাত্র) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের চরবংশী গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে ছিলেন।
ঘটনাটি ১৪ জানুয়ারি রাতে উত্তর চরবংশীর ডালি কান্দি এলাকায় ঘটে, যেখানে অভিযোগ অনুযায়ী নাহিদ বেপারী, শাহিন বেপারীসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আশরাফুলের ওপর আকস্মিক হামলা চালায় এবং তাকে গুরুতর আহত করে। পরে তাঁকে মৃত ভেবে ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় আশরাফুলকে উদ্ধার করে ঢাকার নিউ লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করেন, কিন্তু ২০ জানুয়ারি লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
পরবর্তীতে ১৬ জানুয়ারি আশরাফুলের বাবা আজিজুল হক রায়পুর থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় অভিযান চালিয়ে এর আগে শাহিন বেপারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ২৩ জানুয়ারি রাতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১১) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানাধীন ভুলতা গাউছিয়া এলাকা থেকে শাকিল বেপারী, সোহাগ বেপারী ও মোক্তার পাটওয়ারী নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বলে র্যাব সূত্রে জানানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য রায়পুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আশরাফুলের ওপর হামলার পেছনে অভিযুক্তদের সন্দেহ ছিল যে আশরাফูลই আগে পুলিশকে তথ্য দেয়ার মাধ্যমে তাদের সহযোগিতা করেছে, ফলে ক্ষেপে তারা এই ঘৃণিত হামলা চালায়।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুরে মাদকসেবীদের হামলায় কলেজছাত্র নিহত, র্যাব গ্রেপ্তার ৩
লক্ষ্মীপুরের **রায়পুর উপজেলায় মাদকসেবী ও মাদক কারবারির সন্দেহে একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম (রায়পুর রুস্তম আলী কলেজের ডিগ্রী শেষ বর্ষের ছাত্র) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের চরবংশী গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে ছিলেন।
ঘটনাটি ১৪ জানুয়ারি রাতে উত্তর চরবংশীর ডালি কান্দি এলাকায় ঘটে, যেখানে অভিযোগ অনুযায়ী নাহিদ বেপারী, শাহিন বেপারীসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আশরাফুলের ওপর আকস্মিক হামলা চালায় এবং তাকে গুরুতর আহত করে। পরে তাঁকে মৃত ভেবে ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় আশরাফুলকে উদ্ধার করে ঢাকার নিউ লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করেন, কিন্তু ২০ জানুয়ারি লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
পরবর্তীতে ১৬ জানুয়ারি আশরাফুলের বাবা আজিজুল হক রায়পুর থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় অভিযান চালিয়ে এর আগে শাহিন বেপারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ২৩ জানুয়ারি রাতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১১) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানাধীন ভুলতা গাউছিয়া এলাকা থেকে শাকিল বেপারী, সোহাগ বেপারী ও মোক্তার পাটওয়ারী নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বলে র্যাব সূত্রে জানানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য রায়পুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আশরাফুলের ওপর হামলার পেছনে অভিযুক্তদের সন্দেহ ছিল যে আশরাফูลই আগে পুলিশকে তথ্য দেয়ার মাধ্যমে তাদের সহযোগিতা করেছে, ফলে ক্ষেপে তারা এই ঘৃণিত হামলা চালায়।

আপনার মতামত লিখুন