ইভ্যালীর এমডি রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন গ্রেফতার
৩৯১টি গ্রেফতারি পরোয়ানার তথ্য ডিবির হাতে
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালী ডটকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল এবং প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করেছে।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারের সময় তাদের দু’জনের বিরুদ্ধেই মোট ৩৯১টি গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর ছিল। এসব পরোয়ানা মূলত প্রতারণা, চেক জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভিন্ন আদালত থেকে জারি করা হয়।
কী অভিযোগ রয়েছে
ইভ্যালীর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম অর্থ নিয়ে দীর্ঘদিন পণ্য সরবরাহ না করা, অবাস্তব ছাড় দিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা এবং বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি নতুন গ্রাহকের টাকা দিয়ে পুরোনো গ্রাহকের অর্ডার পূরণ করত—যা কার্যত একটি পনজি স্কিমের বৈশিষ্ট্য বহন করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে এসব অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।
তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া
এর আগে র্যাব ও পুলিশ ইভ্যালীর আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক হিসাব এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম তদন্ত করে। তদন্তে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির কাছে গ্রাহকদের পাওনার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
গ্রেফতারের পর রাসেল ও শামীমা নাসরিনকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
গ্রাহকদের প্রত্যাশা
ইভ্যালী কেলেঙ্কারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লাখো গ্রাহক দীর্ঘদিন ধরেই তাদের টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে আসছেন। গ্রেফতারের খবরে অনেক গ্রাহক ন্যায়বিচার ও অর্থ উদ্ধারের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মামলাগুলোর তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
ইভ্যালীর এমডি রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন গ্রেফতার
৩৯১টি গ্রেফতারি পরোয়ানার তথ্য ডিবির হাতে
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালী ডটকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল এবং প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করেছে।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারের সময় তাদের দু’জনের বিরুদ্ধেই মোট ৩৯১টি গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর ছিল। এসব পরোয়ানা মূলত প্রতারণা, চেক জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভিন্ন আদালত থেকে জারি করা হয়।
কী অভিযোগ রয়েছে
ইভ্যালীর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম অর্থ নিয়ে দীর্ঘদিন পণ্য সরবরাহ না করা, অবাস্তব ছাড় দিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা এবং বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি নতুন গ্রাহকের টাকা দিয়ে পুরোনো গ্রাহকের অর্ডার পূরণ করত—যা কার্যত একটি পনজি স্কিমের বৈশিষ্ট্য বহন করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে এসব অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।
তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া
এর আগে র্যাব ও পুলিশ ইভ্যালীর আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক হিসাব এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম তদন্ত করে। তদন্তে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির কাছে গ্রাহকদের পাওনার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
গ্রেফতারের পর রাসেল ও শামীমা নাসরিনকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
গ্রাহকদের প্রত্যাশা
ইভ্যালী কেলেঙ্কারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লাখো গ্রাহক দীর্ঘদিন ধরেই তাদের টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে আসছেন। গ্রেফতারের খবরে অনেক গ্রাহক ন্যায়বিচার ও অর্থ উদ্ধারের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মামলাগুলোর তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন