খালেদা জিয়ার জানাযা স্থানে সকাল থেকেই মানুষের ঢল
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাযা উপলক্ষে সকাল থেকেই জানাযা প্রাঙ্গণে মানুষের ঢল নামে। রাজধানীর নির্ধারিত জানাযা স্থানে ভোরের আলো ফোটার আগেই নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জনসমাগম আরও বাড়তে থাকে, সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ।
দূরদূরান্ত থেকে বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে করে মানুষ জানাযা স্থানে আসেন। অনেককে দেখা যায় হাতে দলীয় পতাকা, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে শেষবারের মতো প্রিয় নেত্রীকে বিদায় জানাতে। কারও চোখে ছিল অশ্রু, কারও মুখে প্রার্থনা—সব মিলিয়ে জানাযা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় শোক আর ভালোবাসার মিলনস্থলে।
বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সকাল থেকেই জানাযা প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। তাঁরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী নন, তিনি ছিলেন দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতীক। তাঁর জানাযায় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই প্রমাণ করে—দেশের মানুষের হৃদয়ে তিনি কতটা গভীরভাবে স্থান করে নিয়েছিলেন।
সাধারণ মানুষও অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন রাজনীতির এক সাহসী নাম। বহু প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি মাথা উঁচু করে রাজনীতি করেছেন। তাই তাঁর শেষ বিদায়ে অংশ নেওয়াকে তারা নিজেদের দায়িত্ব বলে মনে করছেন।
জানাযাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নেয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা জানাযা প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রবেশপথে তল্লাশি জোরদার করা হয়।
নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জানাযা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাযা শেষে বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
একজন রাজনৈতিক নেত্রীর বিদায়ের দিনে জানাযা প্রাঙ্গণে মানুষের এই বিশাল উপস্থিতি আবারও স্মরণ করিয়ে দিল—বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক অনন্য, প্রভাবশালী ও স্মরণীয় অধ্যায়।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
খালেদা জিয়ার জানাযা স্থানে সকাল থেকেই মানুষের ঢল
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাযা উপলক্ষে সকাল থেকেই জানাযা প্রাঙ্গণে মানুষের ঢল নামে। রাজধানীর নির্ধারিত জানাযা স্থানে ভোরের আলো ফোটার আগেই নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জনসমাগম আরও বাড়তে থাকে, সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ।
দূরদূরান্ত থেকে বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে করে মানুষ জানাযা স্থানে আসেন। অনেককে দেখা যায় হাতে দলীয় পতাকা, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে শেষবারের মতো প্রিয় নেত্রীকে বিদায় জানাতে। কারও চোখে ছিল অশ্রু, কারও মুখে প্রার্থনা—সব মিলিয়ে জানাযা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় শোক আর ভালোবাসার মিলনস্থলে।
বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সকাল থেকেই জানাযা প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। তাঁরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী নন, তিনি ছিলেন দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতীক। তাঁর জানাযায় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই প্রমাণ করে—দেশের মানুষের হৃদয়ে তিনি কতটা গভীরভাবে স্থান করে নিয়েছিলেন।
সাধারণ মানুষও অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন রাজনীতির এক সাহসী নাম। বহু প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি মাথা উঁচু করে রাজনীতি করেছেন। তাই তাঁর শেষ বিদায়ে অংশ নেওয়াকে তারা নিজেদের দায়িত্ব বলে মনে করছেন।
জানাযাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নেয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা জানাযা প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রবেশপথে তল্লাশি জোরদার করা হয়।
নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জানাযা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাযা শেষে বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
একজন রাজনৈতিক নেত্রীর বিদায়ের দিনে জানাযা প্রাঙ্গণে মানুষের এই বিশাল উপস্থিতি আবারও স্মরণ করিয়ে দিল—বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক অনন্য, প্রভাবশালী ও স্মরণীয় অধ্যায়।

আপনার মতামত লিখুন