পেট্রাপোলে বাংলাদেশ অভিমুখী লংমার্চ আটকে দিল বিএসএফ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল সীমান্ত এলাকা থেকে বাংলাদেশ অভিমুখে লংমার্চের চেষ্টা করলে তা আটকে দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) দুপুরের দিকে পেট্রাপোল স্থলবন্দরের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভারতের একটি সংগঠনের ব্যানারে কয়েকশ মানুষ বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করতে চাইলে বিএসএফ সদস্যরা নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের অগ্রসর হতে বাধা দেয়। এ সময় সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিএসএফ সদস্য মোতায়েন করা হয়।
লংমার্চে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা পেট্রাপোল এলাকার সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে বিএসএফ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং লংমার্চকারীদের সীমান্তের কাছাকাছি যেতে দেয়নি।
ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ অংশে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। সীমান্তের উভয় পাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত এলাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের সীমান্ত আইন ও নিরাপত্তা নীতির আলোকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, পেট্রাপোল–বেনাপোল সীমান্ত দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। যে কোনো ধরনের উত্তেজনাকর কর্মসূচি দুই দেশের কূটনৈতিক ও সীমান্ত পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
পেট্রাপোলে বাংলাদেশ অভিমুখী লংমার্চ আটকে দিল বিএসএফ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল সীমান্ত এলাকা থেকে বাংলাদেশ অভিমুখে লংমার্চের চেষ্টা করলে তা আটকে দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) দুপুরের দিকে পেট্রাপোল স্থলবন্দরের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভারতের একটি সংগঠনের ব্যানারে কয়েকশ মানুষ বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করতে চাইলে বিএসএফ সদস্যরা নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের অগ্রসর হতে বাধা দেয়। এ সময় সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিএসএফ সদস্য মোতায়েন করা হয়।
লংমার্চে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা পেট্রাপোল এলাকার সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে বিএসএফ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং লংমার্চকারীদের সীমান্তের কাছাকাছি যেতে দেয়নি।
ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ অংশে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। সীমান্তের উভয় পাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত এলাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের সীমান্ত আইন ও নিরাপত্তা নীতির আলোকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, পেট্রাপোল–বেনাপোল সীমান্ত দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। যে কোনো ধরনের উত্তেজনাকর কর্মসূচি দুই দেশের কূটনৈতিক ও সীমান্ত পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন