দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভ, কড়া নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক উদ্বেগ
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের বিক্ষোভকে ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আজ দুপুরে একদল হিন্দুত্ববাদী কর্মী হাইকমিশনের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আপত্তিকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়। এ সময় বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিক্ষোভের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দিল্লি পুলিশ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।
নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ হাইকমিশনের আশপাশে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। হাইকমিশনের সামনে ব্যারিকেড স্থাপন করে বিক্ষোভকারীদের একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হয়। কিছু সময়ের জন্য ওই এলাকায় যান চলাচল সীমিত করা হয় এবং সাধারণ মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, একটি বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের সামনে এ ধরনের বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও ভিয়েনা কনভেনশনের পরিপন্থী। এ ঘটনায় বাংলাদেশ হাইকমিশন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন হলে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হতে পারে।
এদিকে, নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কে অস্বস্তি সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পুরো পরিস্থিতি এখনো নজরদারিতে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভ, কড়া নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক উদ্বেগ
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের বিক্ষোভকে ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আজ দুপুরে একদল হিন্দুত্ববাদী কর্মী হাইকমিশনের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আপত্তিকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়। এ সময় বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিক্ষোভের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দিল্লি পুলিশ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।
নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ হাইকমিশনের আশপাশে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। হাইকমিশনের সামনে ব্যারিকেড স্থাপন করে বিক্ষোভকারীদের একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হয়। কিছু সময়ের জন্য ওই এলাকায় যান চলাচল সীমিত করা হয় এবং সাধারণ মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, একটি বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের সামনে এ ধরনের বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও ভিয়েনা কনভেনশনের পরিপন্থী। এ ঘটনায় বাংলাদেশ হাইকমিশন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন হলে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হতে পারে।
এদিকে, নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কে অস্বস্তি সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পুরো পরিস্থিতি এখনো নজরদারিতে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন