ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

ঝিনাইদহে ২০ গ্রাম পানিবন্দি, বাঁধ সম্প্রসারণের দাবি

ঝিনাইদহে ২০ গ্রাম পানিবন্দি, বাঁধ সম্প্রসারণের দাবি
ঝি'নাইদহের কালিগঞ্জ' উপজেলার কোলা বাজারে' সেতু নির্মাণ' কাজে ধীরগতি ও নদীর ডাইভারশন বাধের কারণে অন্তত ২০'টি গ্রামের মানুষ পা'নিবন্দী হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় কিছু কৃষকের দাবি, ডাই ভারশন বাধ সম্প্র'সারণ না করলে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে। জা'না গেছে সেতু নির্মাণের' জন্য বেগ'বতী নদীতে বাধ দেওয়ায় 'নদীর স্বাভা'বিক স্রোত বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে সদর ও কালীগঞ্জ উপ'জেলার কয়েকটি বিল ও খালের পানি আটকে পড়েছে। বিল থেকে পানি 'বের হওয়ার পথ থা'কলেও তা পর্যা'প্ত নয়।বর্তমানে বাধে রাখা হয়েছে মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ ফুট চওড়া কা'ঠের সেতু। যা দিয়ে সঠি'কভাবে পানি নিষ্কা'শন করা যাচ্ছে না। সরে জ'মিনে দেখা গেছে,গান্না,মহা'রাজপুর, কুল'বাড়িয়া, বেতাইসহ ২০টি গ্রামের ফসলি জমি পানির নিচে চলে গেছে। তলিয়ে গেছে বারো মাসে মৌসুমী ধান। কৃ'ষকরা বলেছেন, ব্রিজ হোক তবে আগে পানি বের হওয়া বন্ধ হোক। মহারাজপুর কৃষক সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপক ইউনুস আলী বলেন, বিলের পানি বের হওয়ার জন্য সাময়িকভাবে নদীর বাঁধ তুলে দেওয়ার কোন বিকল্প নেই। কিন্তু ঠিকাদাররা কর্ণপাত করছেন না। Hi

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


ঝিনাইদহে ২০ গ্রাম পানিবন্দি, বাঁধ সম্প্রসারণের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৫

featured Image
ঝি'নাইদহের কালিগঞ্জ' উপজেলার কোলা বাজারে' সেতু নির্মাণ' কাজে ধীরগতি ও নদীর ডাইভারশন বাধের কারণে অন্তত ২০'টি গ্রামের মানুষ পা'নিবন্দী হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় কিছু কৃষকের দাবি, ডাই ভারশন বাধ সম্প্র'সারণ না করলে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে। জা'না গেছে সেতু নির্মাণের' জন্য বেগ'বতী নদীতে বাধ দেওয়ায় 'নদীর স্বাভা'বিক স্রোত বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে সদর ও কালীগঞ্জ উপ'জেলার কয়েকটি বিল ও খালের পানি আটকে পড়েছে। বিল থেকে পানি 'বের হওয়ার পথ থা'কলেও তা পর্যা'প্ত নয়।বর্তমানে বাধে রাখা হয়েছে মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ ফুট চওড়া কা'ঠের সেতু। যা দিয়ে সঠি'কভাবে পানি নিষ্কা'শন করা যাচ্ছে না। সরে জ'মিনে দেখা গেছে,গান্না,মহা'রাজপুর, কুল'বাড়িয়া, বেতাইসহ ২০টি গ্রামের ফসলি জমি পানির নিচে চলে গেছে। তলিয়ে গেছে বারো মাসে মৌসুমী ধান। কৃ'ষকরা বলেছেন, ব্রিজ হোক তবে আগে পানি বের হওয়া বন্ধ হোক। মহারাজপুর কৃষক সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপক ইউনুস আলী বলেন, বিলের পানি বের হওয়ার জন্য সাময়িকভাবে নদীর বাঁধ তুলে দেওয়ার কোন বিকল্প নেই। কিন্তু ঠিকাদাররা কর্ণপাত করছেন না। Hi

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল