শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি সরকারের
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৫
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি সরকারের
বাংলাদেশের যেকোনো টেলিভিশন, পত্রিকা বা অনলাইন হাসিনার বক্তব্য প্রচারসংবাদমাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য, অডিও বা ভিডিও প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) সরকারের এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শেখ হাসিনা বর্তমানে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত এবং দণ্ডিত এক পলাতক আসামি। তাই তার বক্তব্য প্রচার করা সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ সহ দেশের প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এর আগেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ঘৃণাত্মক বা উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ আনা হয়, বৃহস্পতিবার কিছু গণমাধ্যম আইন অমান্য করে শেখ হাসিনার বক্তব্য সম্প্রচার করেছে। সরকার দাবি করেছে, সেই বক্তব্যে ছিল "মিথ্যা ও উসকানিমূলক তথ্য"। এজন্য সংশ্লিষ্ট মিডিয়ার মালিক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সরকার আরও জানায়, জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের নির্দেশ দেন এবং পরবর্তীতে দেশত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন আসামি। একই সঙ্গে, আইনের দৃষ্টিতে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় তাদের নেতাদের কার্যকলাপ বা বক্তব্যও গণমাধ্যমে প্রকাশ করা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
সরকারি বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, শেখ হাসিনার যেকোনো বক্তৃতা প্রচার করলে তা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে এবং সহিংসতা উস্কে দিতে পারে। তাই গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বর্তমানে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে দেশকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন