ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত সিগারেটের আগুন থেকে একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত সিগারেটের আগুন থেকে একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীতে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা কামনা

নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীতে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা কামনা

বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনার থানায় অবস্থান

বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনার থানায় অবস্থান

কোম্পানীগঞ্জে মাটি ভর্তি ট্রাক্টর আ'টক, চালক আদালতে প্রেরণ

কোম্পানীগঞ্জে মাটি ভর্তি ট্রাক্টর আ'টক, চালক আদালতে প্রেরণ

নোয়াখালী সদরে প্রাইভেট কারের ধা'ক্কায় পথচারী নারী নি'হত।

নোয়াখালী সদরে প্রাইভেট কারের ধা'ক্কায় পথচারী নারী নি'হত।

কুড়িগ্রামে বিজিবির বড় সাফল্য: অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ ২ চোরাকারবারি আটক

কুড়িগ্রামে বিজিবির বড় সাফল্য: অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ ২ চোরাকারবারি আটক

বড়াইবাড়ি দিবস আজ: মাতৃভূমির অখণ্ডতা রক্ষার ২৫ বছর

বড়াইবাড়ি দিবস আজ: মাতৃভূমির অখণ্ডতা রক্ষার ২৫ বছর

দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে:জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে:জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ডাকসু নির্বাচন নতুন রাজনৈতিক ধারা তৈরি করেছে: এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ

ডাকসু নির্বাচন নতুন রাজনৈতিক ধারা তৈরি করেছে: এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ
ডাকসু নির্বাচন নতুন রাজনৈতিক ধারা তৈরি করেছে: এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, সময়ের বাস্তবতা না বুঝে যদি আমরা ১৯৯১ বা ২০০১ সালের দৃষ্টিকোণ থেকে ২০২৫ সালের রাজনীতি বিশ্লেষণ করতে চাই, তবে সেটা হবে বড় ভুল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাম্প্রতিক নির্বাচন আমাদের সামনে রাজনীতির এক নতুন ব্যাখ্যা ও নির্বাচনী ব্যাকরণ হাজির করেছে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত “বরিশালের উন্নয়ন ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট” শীর্ষক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফুয়াদ বলেন, ডাকসুর ফলাফলকে ইসলামপন্থিদের উত্থান, জামায়াত-শিবিরের পুনর্জাগরণ বা মৌলবাদী প্রবণতার জয় হিসেবে দেখানো ভুল ব্যাখ্যা। মূলত তরুণদের ভোটের আচরণকে অনেকেই এখনো ধরতে পারছেন না। যেমন আওয়ামী লীগ অতীতে গণঅভ্যুত্থানকে বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিল, তেমনি বিএনপি, বামপন্থী ও অনেক বুদ্ধিজীবীও ডাকসুর ফলাফলকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারছে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, “৯১, ৯৬ কিংবা ২০০১ সালের চশমা পরে ২০২৫ কে দেখা যাবে না—এটা সম্পূর্ণ নতুন রাজনৈতিক কাঠামো।” তিনি আরও বলেন, নির্বাচন যদি অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে হয় তবে শুধু আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে নিয়ে সীমাবদ্ধ ধারণা এখন আর টিকবে না। ডাকসু নির্বাচন সেটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি জগন্নাথ হলের ভোটের চিত্র তুলে ধরে বলেন, এখানে স্পষ্ট হয়েছে যে আওয়ামী লীগের বাইরেও ভোটারদের বড় একটি অংশ আছে এবং তারা সবাই জামায়াত-শিবিরের দিকে যাবে এমন ধারণা ভুল। অনেকে যাকে “না ভোট” দিয়েছেন, তা শেষ পর্যন্ত শিবিরের প্যানেলে জমা হলেও এগুলো প্রকৃত শিবিরের ভোট নয়। ফলে শিবিরকেও বোঝা উচিত, অতিরিক্ত উচ্ছ্বাসের কিছু নেই।   ট্যাগিং রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, “তুমি জানো, আমিও জানি—সাদিক কায়েম পাকিস্তানি”—এই ধরনের স্লোগান ক্যাম্পাসে দেওয়া হলেও বাস্তবে যারা ২০২৪ সালের আন্দোলনে তার সঙ্গে ছিলেন তারা এসব কথাকে গ্রহণ করেননি। অপরদিকে ফরহাদের প্রার্থিতা বাতিল নিয়ে হঠাৎ করা রিট তাকে আলোচনায় নিয়ে এলেও জনগণের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য ছিলেন না, ফলে ব্যাপক ভোটে হেরে গেছেন। মিডিয়ার ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, কিছু জাতীয় দৈনিক সচেতনভাবে অজনপ্রিয় প্রার্থীকে রঙিন ছবি ও বড় শিরোনামে প্রচার করে যেন আগেভাগেই ভিপি বানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ভোটের ফলাফল উল্টো প্রমাণ করেছে। ফুয়াদ আরও বলেন, ডাকসু নির্বাচনে নজিরবিহীন স্বচ্ছতা ছিল। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা, এলইডি স্ক্রিনে খোলামেলা ফলাফল প্রদর্শন এবং সাড়ে ছয় শতাধিক সাংবাদিকের উপস্থিতি প্রমাণ করেছে যে ৮০’র দশকের মতো কেন্দ্র দখল বা জালিয়াতির গল্প আর প্রচার করা যাবে না। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাও উল্লেখ করেন—যেখানে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী এক ছাত্রী হলে ঢোকার চেষ্টা করলে মেয়েরাই সরাসরি প্রতিরোধ করেছে। ফলে যারা ভোট কারচুপির অভিযোগ করছে, তাদের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ওঠে—তাদের নিজেদের শিক্ষার্থীরাই তখন কোথায় ছিল? রাজনীতিতে সততা ও ভদ্রতার গুরুত্ব তুলে ধরে ফুয়াদ বলেন, “যিনি ভদ্র, স্বচ্ছ, বিনয়ী এবং যার কথা ও কাজে মিল আছে, তাকেই মানুষ ভোট দেয়। তরুণরা এখন আর কেবল দল বা প্রতীকের ভিত্তিতে ভোট দেয় না।” তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ডাকসু নির্বাচন ছিল সুষ্ঠু, এখানে কোনো ইসলামপন্থী উত্থান হয়নি এবং জামায়াত-শিবিরের মাধ্যমে দেশে বড় কোনো ইসলামিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আশঙ্কাও অবাস্তব। বরং এ নির্বাচন দেখিয়েছে—পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “দেশ এখনও অগ্নিগিরির ওপর বসে আছে। ফেব্রুয়ারির পরই দেশ স্বর্গরাজ্যে পরিণত হবে—এমন ভাবনা একেবারেই অবাস্তব। যে কোনো সময় নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া বা জর্জিয়ার মতো অস্থিরতা ফিরে আসতে পারে।” রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, তরুণরা এখন অনেক সচেতন ও প্রতিবাদে প্রস্তুত। তাদের আবেগকে অসম্মান করা, মৌলবাদী বা পাকিস্তানি ট্যাগ দেওয়া—এসব রাজনীতি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে। তিনি আহ্বান জানান, তরুণদের সম্মান করতে হবে, তাদের আকাঙ্ক্ষা থেকে শিক্ষা নিতে হবে; নইলে কালেকটিভভাবে সবাই হেরে যাবে। প্রেস ব্রিফিংয়ে এবি পার্টি বরিশাল জেলার সদস্য সচিব জি. এম. রাব্বি, যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন তালুকদার, মহানগরের যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তানভীর আহমেদ, সদস্য হায়দার ভূঁইয়া, নাজমুল মুন্নাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


ডাকসু নির্বাচন নতুন রাজনৈতিক ধারা তৈরি করেছে: এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ

প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
ডাকসু নির্বাচন নতুন রাজনৈতিক ধারা তৈরি করেছে: এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, সময়ের বাস্তবতা না বুঝে যদি আমরা ১৯৯১ বা ২০০১ সালের দৃষ্টিকোণ থেকে ২০২৫ সালের রাজনীতি বিশ্লেষণ করতে চাই, তবে সেটা হবে বড় ভুল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাম্প্রতিক নির্বাচন আমাদের সামনে রাজনীতির এক নতুন ব্যাখ্যা ও নির্বাচনী ব্যাকরণ হাজির করেছে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত “বরিশালের উন্নয়ন ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট” শীর্ষক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফুয়াদ বলেন, ডাকসুর ফলাফলকে ইসলামপন্থিদের উত্থান, জামায়াত-শিবিরের পুনর্জাগরণ বা মৌলবাদী প্রবণতার জয় হিসেবে দেখানো ভুল ব্যাখ্যা। মূলত তরুণদের ভোটের আচরণকে অনেকেই এখনো ধরতে পারছেন না। যেমন আওয়ামী লীগ অতীতে গণঅভ্যুত্থানকে বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিল, তেমনি বিএনপি, বামপন্থী ও অনেক বুদ্ধিজীবীও ডাকসুর ফলাফলকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারছে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, “৯১, ৯৬ কিংবা ২০০১ সালের চশমা পরে ২০২৫ কে দেখা যাবে না—এটা সম্পূর্ণ নতুন রাজনৈতিক কাঠামো।” তিনি আরও বলেন, নির্বাচন যদি অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে হয় তবে শুধু আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে নিয়ে সীমাবদ্ধ ধারণা এখন আর টিকবে না। ডাকসু নির্বাচন সেটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি জগন্নাথ হলের ভোটের চিত্র তুলে ধরে বলেন, এখানে স্পষ্ট হয়েছে যে আওয়ামী লীগের বাইরেও ভোটারদের বড় একটি অংশ আছে এবং তারা সবাই জামায়াত-শিবিরের দিকে যাবে এমন ধারণা ভুল। অনেকে যাকে “না ভোট” দিয়েছেন, তা শেষ পর্যন্ত শিবিরের প্যানেলে জমা হলেও এগুলো প্রকৃত শিবিরের ভোট নয়। ফলে শিবিরকেও বোঝা উচিত, অতিরিক্ত উচ্ছ্বাসের কিছু নেই।   ট্যাগিং রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, “তুমি জানো, আমিও জানি—সাদিক কায়েম পাকিস্তানি”—এই ধরনের স্লোগান ক্যাম্পাসে দেওয়া হলেও বাস্তবে যারা ২০২৪ সালের আন্দোলনে তার সঙ্গে ছিলেন তারা এসব কথাকে গ্রহণ করেননি। অপরদিকে ফরহাদের প্রার্থিতা বাতিল নিয়ে হঠাৎ করা রিট তাকে আলোচনায় নিয়ে এলেও জনগণের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য ছিলেন না, ফলে ব্যাপক ভোটে হেরে গেছেন। মিডিয়ার ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, কিছু জাতীয় দৈনিক সচেতনভাবে অজনপ্রিয় প্রার্থীকে রঙিন ছবি ও বড় শিরোনামে প্রচার করে যেন আগেভাগেই ভিপি বানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ভোটের ফলাফল উল্টো প্রমাণ করেছে। ফুয়াদ আরও বলেন, ডাকসু নির্বাচনে নজিরবিহীন স্বচ্ছতা ছিল। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা, এলইডি স্ক্রিনে খোলামেলা ফলাফল প্রদর্শন এবং সাড়ে ছয় শতাধিক সাংবাদিকের উপস্থিতি প্রমাণ করেছে যে ৮০’র দশকের মতো কেন্দ্র দখল বা জালিয়াতির গল্প আর প্রচার করা যাবে না। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাও উল্লেখ করেন—যেখানে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী এক ছাত্রী হলে ঢোকার চেষ্টা করলে মেয়েরাই সরাসরি প্রতিরোধ করেছে। ফলে যারা ভোট কারচুপির অভিযোগ করছে, তাদের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ওঠে—তাদের নিজেদের শিক্ষার্থীরাই তখন কোথায় ছিল? রাজনীতিতে সততা ও ভদ্রতার গুরুত্ব তুলে ধরে ফুয়াদ বলেন, “যিনি ভদ্র, স্বচ্ছ, বিনয়ী এবং যার কথা ও কাজে মিল আছে, তাকেই মানুষ ভোট দেয়। তরুণরা এখন আর কেবল দল বা প্রতীকের ভিত্তিতে ভোট দেয় না।” তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ডাকসু নির্বাচন ছিল সুষ্ঠু, এখানে কোনো ইসলামপন্থী উত্থান হয়নি এবং জামায়াত-শিবিরের মাধ্যমে দেশে বড় কোনো ইসলামিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আশঙ্কাও অবাস্তব। বরং এ নির্বাচন দেখিয়েছে—পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “দেশ এখনও অগ্নিগিরির ওপর বসে আছে। ফেব্রুয়ারির পরই দেশ স্বর্গরাজ্যে পরিণত হবে—এমন ভাবনা একেবারেই অবাস্তব। যে কোনো সময় নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া বা জর্জিয়ার মতো অস্থিরতা ফিরে আসতে পারে।” রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, তরুণরা এখন অনেক সচেতন ও প্রতিবাদে প্রস্তুত। তাদের আবেগকে অসম্মান করা, মৌলবাদী বা পাকিস্তানি ট্যাগ দেওয়া—এসব রাজনীতি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে। তিনি আহ্বান জানান, তরুণদের সম্মান করতে হবে, তাদের আকাঙ্ক্ষা থেকে শিক্ষা নিতে হবে; নইলে কালেকটিভভাবে সবাই হেরে যাবে। প্রেস ব্রিফিংয়ে এবি পার্টি বরিশাল জেলার সদস্য সচিব জি. এম. রাব্বি, যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন তালুকদার, মহানগরের যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তানভীর আহমেদ, সদস্য হায়দার ভূঁইয়া, নাজমুল মুন্নাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল