১০ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক বরখাস্ত হয়েও তুলছেন নিয়মিত বেতন!
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১০ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক বরখাস্ত হয়েও তুলছেন নিয়মিত বেতন!
বগুড়ার ধুনটে কলেজশিক্ষক মুরাদুজ্জামান ধর্ষণ মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পরও সরকারি কোষাগার থেকে নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন বলে জানা গেছে। টানা তিন বছর কলেজে উপস্থিত না থাকলেও এমপিওভুক্ত হওয়ায় তার নামে প্রতিমাসে পুরো বেতন জমা হচ্ছে ব্যাংক হিসাবে। তবে বিষয়টিকে প্রযুক্তিগত ভুল বলে ব্যাখ্যা করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ লায়লা খাতুন।
জালশুকা হাবিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মুরাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের মার্চে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে মামলা হলে তিনি গ্রেপ্তার হন এবং কলেজ থেকে বরখাস্ত করা হয়।
নীতিমালা অনুযায়ী, বরখাস্তকৃত শিক্ষকরা কেবল অর্ধেক বেতনের যোগ্য হলেও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সিস্টেমে ভুলভাবে নিয়মিত কর্মরত হিসেবে তার নাম যুক্ত থাকায় তিনি পাচ্ছেন পূর্ণ বেতন।
ব্যাংক স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে তার সোনালী ব্যাংক, ধুনট শাখার হিসাবে প্রতি মাসে জমা হচ্ছে ৪০ হাজার ৫০০ টাকা। এ ঘটনায় কলেজ অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দ্রুত বিচার করে দোষীর কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
অভিযুক্ত মুরাদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হলেও কলেজ অধ্যক্ষ লায়লা খাতুন বলেন, "এটি সম্পূর্ণ যান্ত্রিক ত্রুটি।"
বগুড়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী আকন্দ জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত এমপিও বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তার ভাষায়, “কোনো শিক্ষক অপরাধ করে ছাড় পাবে না।”
উল্লেখ্য, মামলা হওয়ার দুই বছর পর, ২০২৪ সালের মার্চে পিবিআই তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন