ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : শনিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৫

ধর্মগুরুকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত সাতজন বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।

ধর্মগুরুকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত সাতজন বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সরকার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও এক ধর্মগুরুকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত সাতজন বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন জাতিগত আরব বিচ্ছিন্নতাবাদী, যাদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের খোররাম শহরে সশস্ত্র হামলা ও বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ ছিল। ঐ হামলায় চারজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছিলেন। অন্যদিকেhhhh, সপ্তম ব্যক্তি সামান মোহাম্মাদি খিয়ারে, একজন কুর্দি নাগরিক, যিনি ২০০৯ সালে সানানদাজ শহরে সরকারপন্থী সুন্নি ধর্মগুরু মামুস্তা শেখ আল ইসলামকে হত্যার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড পান। রয়টার্স জানায়, ইরান দাবি করেছে সাতজনেরই ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসূত্র ছিল—যদিও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এ ধরনের অভিযোগ তেহরান সরকার প্রায়শই ব্যবহার করে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষকে “বিদেশি ষড়যন্ত্র” হিসেবে দেখানোর জন্য। অ্যাকটিভিস্টদের অভিযোগ, মোহাম্মাদি খিয়ারে-র বিচার প্রক্রিয়া ছিল অন্যায্য। হত্যাকাণ্ডের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বা ১৬ বছর, এবং তাকে গ্রেফতার করা হয় ১৯ বছর বয়সে। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় বন্দি রাখার পর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, তার কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে, যা ইরানের বিচারব্যবস্থার নির্যাতনমূলক চর্চার আরেকটি উদাহরণ। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ইরানে এক হাজারেরও বেশি মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা সংস্থাটির হিসাবে গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বার্ষিক সংখ্যা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

রোববার, ৩১ মে ২০২৬


ধর্মগুরুকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত সাতজন বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সরকার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও এক ধর্মগুরুকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত সাতজন বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন জাতিগত আরব বিচ্ছিন্নতাবাদী, যাদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের খোররাম শহরে সশস্ত্র হামলা ও বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ ছিল। ঐ হামলায় চারজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছিলেন। অন্যদিকেhhhh, সপ্তম ব্যক্তি সামান মোহাম্মাদি খিয়ারে, একজন কুর্দি নাগরিক, যিনি ২০০৯ সালে সানানদাজ শহরে সরকারপন্থী সুন্নি ধর্মগুরু মামুস্তা শেখ আল ইসলামকে হত্যার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড পান। রয়টার্স জানায়, ইরান দাবি করেছে সাতজনেরই ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসূত্র ছিল—যদিও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এ ধরনের অভিযোগ তেহরান সরকার প্রায়শই ব্যবহার করে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষকে “বিদেশি ষড়যন্ত্র” হিসেবে দেখানোর জন্য। অ্যাকটিভিস্টদের অভিযোগ, মোহাম্মাদি খিয়ারে-র বিচার প্রক্রিয়া ছিল অন্যায্য। হত্যাকাণ্ডের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বা ১৬ বছর, এবং তাকে গ্রেফতার করা হয় ১৯ বছর বয়সে। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় বন্দি রাখার পর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, তার কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে, যা ইরানের বিচারব্যবস্থার নির্যাতনমূলক চর্চার আরেকটি উদাহরণ। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ইরানে এক হাজারেরও বেশি মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা সংস্থাটির হিসাবে গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বার্ষিক সংখ্যা।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল